
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ জিম্মিদের মুক্তি স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তারা এই ঘোষণা দিয়েছে।
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে বাধা দিয়ে, গোলাবর্ষণ ও গুলি চালিয়ে এবং গাজায় ত্রাণ আসা বন্ধ করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করেছে।’
একদিকে, ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা সরকারের প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, গাজার বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিজেদের জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনই এক সময়ে হামাসের এই অপ্রত্যাশিত ঘোষণা এল, যখন যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।
যদিও গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে এর মাঝেও ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।
হামাস জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী আগামী শনিবার যে বন্দী বিনিময়ের কথা ছিল, তা স্থগিত করা হল। ইসরায়েল যত দিন পর্যন্ত ঠিকভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মানবে না এবং সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেবে না তত দিন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্থগিত থাকবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, ‘হামাসের এই ঘোষণা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
চুক্তির প্রথম ৪২ দিনে ৩৩ জন জিম্মির মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত ১৬ জন ইসরায়েলি ও ৫ জন থাই নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে হামাস।
এর বিনিময়ে, ইসরায়েল শত শত ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন প্রাণদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী থেকে শুরু করে যুদ্ধের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ফিলিস্তিনি, যাদের অনেককে অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল।
হামাসের অভিযোগ, ইসরায়েল গাজায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সরবরাহ প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে তারা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে জিম্মিদের মুক্তি দিচ্ছে না এবং রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তরের আগে জনসমক্ষে অপমানজনক পরিস্থিতি তৈরি করছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, কাতারে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে একটি ইসরায়েলি প্রতিনিধি দল দেশে ফিরে এসেছে। তবে কেন তারা ফিরে এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ফিলিস্তিনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘হামাস মনে করছে, চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইসরায়েল মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল তা পূরণ করেনি।’
ফিলিস্তিনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘চুক্তির প্রথম ধাপে মানবিক সহায়তার বিষয়টি কার্যকর না হওয়ায় হামাস উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছে, ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না।’
এদিকে, শনিবার মুক্তি পাওয়া তিন ইসরায়েলি জিম্মি— ওহাদ বেন আমি, ইলি শারাবি ও ওর লেভির শারীরিক অবস্থা দেখে ইসরায়েলিদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ জিম্মিদের মুক্তি স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তারা এই ঘোষণা দিয়েছে।
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে বাধা দিয়ে, গোলাবর্ষণ ও গুলি চালিয়ে এবং গাজায় ত্রাণ আসা বন্ধ করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করেছে।’
একদিকে, ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা সরকারের প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, গাজার বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিজেদের জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনই এক সময়ে হামাসের এই অপ্রত্যাশিত ঘোষণা এল, যখন যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।
যদিও গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে এর মাঝেও ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।
হামাস জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী আগামী শনিবার যে বন্দী বিনিময়ের কথা ছিল, তা স্থগিত করা হল। ইসরায়েল যত দিন পর্যন্ত ঠিকভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মানবে না এবং সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেবে না তত দিন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্থগিত থাকবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, ‘হামাসের এই ঘোষণা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
চুক্তির প্রথম ৪২ দিনে ৩৩ জন জিম্মির মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত ১৬ জন ইসরায়েলি ও ৫ জন থাই নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে হামাস।
এর বিনিময়ে, ইসরায়েল শত শত ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন প্রাণদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী থেকে শুরু করে যুদ্ধের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ফিলিস্তিনি, যাদের অনেককে অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল।
হামাসের অভিযোগ, ইসরায়েল গাজায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সরবরাহ প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে তারা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে জিম্মিদের মুক্তি দিচ্ছে না এবং রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তরের আগে জনসমক্ষে অপমানজনক পরিস্থিতি তৈরি করছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, কাতারে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে একটি ইসরায়েলি প্রতিনিধি দল দেশে ফিরে এসেছে। তবে কেন তারা ফিরে এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ফিলিস্তিনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘হামাস মনে করছে, চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইসরায়েল মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল তা পূরণ করেনি।’
ফিলিস্তিনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘চুক্তির প্রথম ধাপে মানবিক সহায়তার বিষয়টি কার্যকর না হওয়ায় হামাস উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছে, ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না।’
এদিকে, শনিবার মুক্তি পাওয়া তিন ইসরায়েলি জিম্মি— ওহাদ বেন আমি, ইলি শারাবি ও ওর লেভির শারীরিক অবস্থা দেখে ইসরায়েলিদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
১২ মিনিট আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
৩০ মিনিট আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
১ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১০ ঘণ্টা আগে