আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘জায়নবাদী শাসনের’ সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তা ‘সবার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হবে। খবর ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের।
জেনেভায় ইউরোপীয়দের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নেওয়ার পর ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শীর্ষ এই ইরানি কূটনীতিক। সে সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি হুঁশিয়ারি দেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক’ পরিস্থিতি ডেকে আনবে।
এর আগে ১৮ জুন ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক টেলিভিশন বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করলে তাদের ‘অপূরণীয় ক্ষতির’ শিকার হতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতি কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না।
খামেনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই অঞ্চলের নীতি সম্পর্কে যারা পরিচিত, তাঁরা জানেন এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ শতভাগ তাদের নিজেদের ক্ষতির কারণ হবে। আর তাদের যে ক্ষতি হবে, তা ইরানের যেকোনো ক্ষতির চেয়ে অনেক বেশি হবে।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানের বিরুদ্ধে ‘আকস্মিক যুদ্ধ’ শুরু করে ইসরায়েল। তারা ইরানের পারমাণবিক, সামরিক এবং আবাসিক স্থানগুলোতে বিমান হামলা চালায়, যার ফলে বহু শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, পরমাণুবিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিক ‘শহীদ’ হন।
এর পরপরই ইরানি সামরিক বাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। ২১ জুন পর্যন্ত ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পসের অ্যারোস্পেস ফোর্স ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-III’-এর অংশ হিসেবে জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ১৮ দফায় প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলোতে শাহেদ-১৩৬ ড্রোন এবং কিছু বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা।

ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘জায়নবাদী শাসনের’ সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তা ‘সবার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হবে। খবর ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের।
জেনেভায় ইউরোপীয়দের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নেওয়ার পর ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শীর্ষ এই ইরানি কূটনীতিক। সে সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি হুঁশিয়ারি দেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক’ পরিস্থিতি ডেকে আনবে।
এর আগে ১৮ জুন ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক টেলিভিশন বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করলে তাদের ‘অপূরণীয় ক্ষতির’ শিকার হতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইরানি জাতি কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না।
খামেনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই অঞ্চলের নীতি সম্পর্কে যারা পরিচিত, তাঁরা জানেন এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ শতভাগ তাদের নিজেদের ক্ষতির কারণ হবে। আর তাদের যে ক্ষতি হবে, তা ইরানের যেকোনো ক্ষতির চেয়ে অনেক বেশি হবে।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানের বিরুদ্ধে ‘আকস্মিক যুদ্ধ’ শুরু করে ইসরায়েল। তারা ইরানের পারমাণবিক, সামরিক এবং আবাসিক স্থানগুলোতে বিমান হামলা চালায়, যার ফলে বহু শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, পরমাণুবিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিক ‘শহীদ’ হন।
এর পরপরই ইরানি সামরিক বাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। ২১ জুন পর্যন্ত ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পসের অ্যারোস্পেস ফোর্স ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-III’-এর অংশ হিসেবে জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ১৮ দফায় প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলোতে শাহেদ-১৩৬ ড্রোন এবং কিছু বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে