
২০১০ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ইরানের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর শহর চাবাহারে শিয়া মুসলিমদের একটি মসজিদের সামনে আশুরার অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। বিস্ফোরণে ৩৯ জন নিহত এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়। তখন এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছিল জুন্দালাহ নামের এক সন্ত্রাসী সংগঠন। ইরানের অভিযোগ, এ হামলায় জড়িত ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযোগে দেশটিকে ১৭ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রা ২ হাজার ২৫ কোটি টাকা প্রায়) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইরানের আদালত।
এই হামলায় করা মামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বিতীয় রায় এটি। এর আগে ২০২৩ সালে, ৯৩ জন আহত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মার্কিন সরকারকে ২৬৬ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
ইরানের বিচার বিভাগের সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এ রায় দিয়েছে তেহরানের ৫৫ তম বিচারিক আদালত।
মিজান নিউজ এজেন্সি জানায়, ইরানি আদালত যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং কর্মকর্তাদের এই হামলায় জড়িত থাকার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। তারা সেই সময় এই হামলার দায় স্বীকার করা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জুন্দাল্লাহকে সমর্থন করেছিল। জুন্দাল্লাহ ইরান ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় একটি সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠী।
রায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মামলার বাদীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭৪ মিলিয়ন ডলার এবং শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, এই হামলা ইরানের জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভ তৈরি করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সমর্থন হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ইরানি আদালত।

২০১০ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ইরানের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর শহর চাবাহারে শিয়া মুসলিমদের একটি মসজিদের সামনে আশুরার অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। বিস্ফোরণে ৩৯ জন নিহত এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়। তখন এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছিল জুন্দালাহ নামের এক সন্ত্রাসী সংগঠন। ইরানের অভিযোগ, এ হামলায় জড়িত ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযোগে দেশটিকে ১৭ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রা ২ হাজার ২৫ কোটি টাকা প্রায়) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইরানের আদালত।
এই হামলায় করা মামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বিতীয় রায় এটি। এর আগে ২০২৩ সালে, ৯৩ জন আহত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মার্কিন সরকারকে ২৬৬ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
ইরানের বিচার বিভাগের সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এ রায় দিয়েছে তেহরানের ৫৫ তম বিচারিক আদালত।
মিজান নিউজ এজেন্সি জানায়, ইরানি আদালত যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং কর্মকর্তাদের এই হামলায় জড়িত থাকার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। তারা সেই সময় এই হামলার দায় স্বীকার করা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জুন্দাল্লাহকে সমর্থন করেছিল। জুন্দাল্লাহ ইরান ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় একটি সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠী।
রায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মামলার বাদীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭৪ মিলিয়ন ডলার এবং শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, এই হামলা ইরানের জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভ তৈরি করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সমর্থন হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ইরানি আদালত।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আজ সোমবার থেকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা ঐতিহাসিক মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরু হচ্ছে। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে এই মামলাটি করে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর দেশটির নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘আলোচনায় বসতে’ চেয়েছে। তবে তিনি এও বলেছেন যে, আলোচনায় বসার আগেই একটা কিছু করে ফেলতে পারেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
৩ ঘণ্টা আগে