আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েল যে কতটা নৃশংস হতে পারে তা এই ২৩ মাসের যুদ্ধে খুব ভালো করে বুঝে গেছে ফিলিস্তিনিরা। যদিও কোথায় গেলে এই নৃশংসতা থেকে রেহাই মিলবে জানা নেই তাদের। তবু, গাজা সিটিতে ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরুর পর তল্পি-তল্পা গুছিয়ে ‘নিরাপদ আশ্রয়’ নামের এক মরীচিকার পেছনে ছুটছে বাসিন্দারা।
শেখ রেদওয়ান এলাকার বাসিন্দা লিনা আল মাগরেবি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, বিপজ্জনক জেনেও বসতভিটা ছাড়তে চাননি তিনি। কিন্তু, এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা তাকে কল করে এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং নতুন করে তাঁবু কেনার খরচ জোগাতে আমি গয়না বেচতে বাধ্য হয়েছি। যানবাহনও এখন খুব বেশি ব্যয়বহুল হয়ে গেছে। খান ইউনিস পৌঁছাতে আমার ১০ ঘণ্টা লেগেছ।’
গাজা সিটি ইসরায়েলি অভিযানকে শক্তিশালী বলে অভিহিত করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর ভাষ্য—এটিই হামাসের শেষ শক্ত ঘাঁটি। তাই হামাস নির্মূলে এখানে শক্তিশালী হামলা চালানো অত্যন্ত জরুরি।
গাজা সিটি থেকে বের হওয়ার জন্য শুধু মাত্র একটা রাস্তা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। আল-রশিদ নামের একটিমাত্র সড়ক দিয়েই এখান থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। এতদিন এলাকা থেকে সরতে না চাইলেও স্থল অভিযান শুরুর পর জীবন বাঁচাতে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। এত মানুষ একসঙ্গে গাজা সিটি ছাড়তে শুরু করায় তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট। এ ছাড়া, চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ যানবাহনও নেই উপত্যকায়। একটা গাড়ি খুঁজে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
গত মাসে যখন ইসরায়েলি পার্লামেন্ট গাজা সিটি দখলের অনুমোদন দেয়, তখনই এর বিরোধিতা করেছিল বিশ্বনেতারা। এমনকি পশ্চিমা মিত্ররাও এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এরপরও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াকে এক প্রকার বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গাজা সিটিতে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনা বাহিনী—আইডিএফ।
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর আবারও বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই হামলাকে অত্যন্ত বেপরোয়া এবং নিন্দনীয় আখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই হামলা কেবল আর রক্তপাত ঘটাবে, নিরীহ বেসামরিকদের প্রাণ কেড়ে নেবে এবং বাকি জিম্মিদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে।’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জার্মানি ও জাতিসংঘও।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়। কিন্তু যখন আপনি হামাসের মতো একটি অসভ্য দলের সঙ্গে ডিল করছেন, তখন সেটা সম্ভব নাও হতে পারে।’
গাজায় ইসরায়েলি হামলা তীব্র হওয়ার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তবে ইসরায়েল ওই প্রতিবেদন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইসরায়েল যে কতটা নৃশংস হতে পারে তা এই ২৩ মাসের যুদ্ধে খুব ভালো করে বুঝে গেছে ফিলিস্তিনিরা। যদিও কোথায় গেলে এই নৃশংসতা থেকে রেহাই মিলবে জানা নেই তাদের। তবু, গাজা সিটিতে ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরুর পর তল্পি-তল্পা গুছিয়ে ‘নিরাপদ আশ্রয়’ নামের এক মরীচিকার পেছনে ছুটছে বাসিন্দারা।
শেখ রেদওয়ান এলাকার বাসিন্দা লিনা আল মাগরেবি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, বিপজ্জনক জেনেও বসতভিটা ছাড়তে চাননি তিনি। কিন্তু, এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা তাকে কল করে এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং নতুন করে তাঁবু কেনার খরচ জোগাতে আমি গয়না বেচতে বাধ্য হয়েছি। যানবাহনও এখন খুব বেশি ব্যয়বহুল হয়ে গেছে। খান ইউনিস পৌঁছাতে আমার ১০ ঘণ্টা লেগেছ।’
গাজা সিটি ইসরায়েলি অভিযানকে শক্তিশালী বলে অভিহিত করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর ভাষ্য—এটিই হামাসের শেষ শক্ত ঘাঁটি। তাই হামাস নির্মূলে এখানে শক্তিশালী হামলা চালানো অত্যন্ত জরুরি।
গাজা সিটি থেকে বের হওয়ার জন্য শুধু মাত্র একটা রাস্তা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। আল-রশিদ নামের একটিমাত্র সড়ক দিয়েই এখান থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। এতদিন এলাকা থেকে সরতে না চাইলেও স্থল অভিযান শুরুর পর জীবন বাঁচাতে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। এত মানুষ একসঙ্গে গাজা সিটি ছাড়তে শুরু করায় তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট। এ ছাড়া, চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ যানবাহনও নেই উপত্যকায়। একটা গাড়ি খুঁজে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
গত মাসে যখন ইসরায়েলি পার্লামেন্ট গাজা সিটি দখলের অনুমোদন দেয়, তখনই এর বিরোধিতা করেছিল বিশ্বনেতারা। এমনকি পশ্চিমা মিত্ররাও এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এরপরও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াকে এক প্রকার বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গাজা সিটিতে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনা বাহিনী—আইডিএফ।
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর আবারও বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই হামলাকে অত্যন্ত বেপরোয়া এবং নিন্দনীয় আখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই হামলা কেবল আর রক্তপাত ঘটাবে, নিরীহ বেসামরিকদের প্রাণ কেড়ে নেবে এবং বাকি জিম্মিদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে।’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জার্মানি ও জাতিসংঘও।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়। কিন্তু যখন আপনি হামাসের মতো একটি অসভ্য দলের সঙ্গে ডিল করছেন, তখন সেটা সম্ভব নাও হতে পারে।’
গাজায় ইসরায়েলি হামলা তীব্র হওয়ার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তবে ইসরায়েল ওই প্রতিবেদন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
৫ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৭ ঘণ্টা আগে