আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সম্প্রতি ইরানের এক শীর্ষ কট্টরপন্থী রাজনীতিক মোহাম্মদ-হোসেইন সাফফার-হারান্দি দাবি করেছেন, রাশিয়া আগেই ইসরায়েলের কাছ থেকে জানতে পেরেছিল যে, তারা ইরান সরকারের পতনের পরিকল্পনা করছে। তাঁর এই মন্তব্যে ইরানে রাশিয়ার ভূমিকাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ইরানের এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের এই সদস্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, গত জুনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা ছিল একটি পরিকল্পিত ‘সরকার পতনের’ অংশ। হারান্দির দাবি, যুদ্ধের দুই থেকে তিন দিন আগেই ইসরায়েলের কিছু প্রতিনিধি রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই পরিকল্পনার কথা জানায় এবং তেহরানের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতা পরিত্যাগ করতে বলে।
হারান্দি বলেন, ‘রাশিয়াকে বলা হয়েছিল, ইসলামিক রিপাবলিক কয়েক দিনের মধ্যেই পতন ঘটবে।’ তবে তিনি কোথা থেকে এই তথ্য পেয়েছেন বা রাশিয়া ইরানকে সতর্ক করেছিল কি না—সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, হারান্দির বক্তব্য নিয়ে ইরানি বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দেশটির সাংবাদিক ও আইনজীবী এসফান্দিয়ার জোলগাদর সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘যদি হারান্দির দাবি সত্য হয়, তাহলে রাশিয়া ইরানকে জানায়নি কেন? নাকি তারাও ভুল করে ভেবেছিল, ইরানের শেষ হয়ে গেছে?’
রাশিয়ার নিঃসঙ্গ অবস্থান
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া ছিল অনেকটাই কূটনৈতিক বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ। মস্কো কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক সহায়তা দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত রাশিয়া তেহরানের পাশে দাঁড়িয়ে ইসরায়েল বা পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায়নি।
ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিলেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। তবে ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে না জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থার সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
ইরানের কিছু বিশ্লেষক বলছেন, এটি রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি সুবিধাবাদী নীতিরই অংশ। শার্ঘ পত্রিকায় গত ৫ আগস্ট প্রকাশিত এক লেখায় বলা হয়, ‘এস-৪০০ কিংবা সু-৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহে রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি না রাখা ও সামরিক সহযোগিতায় বিলম্ব এই সম্পর্কের ওপর পারস্পরিক আস্থার অভাবই প্রমাণ করে।’
রাশিয়া মিত্র না কি সুবিধাবাদী
ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। আইআরজিসি-এর রাজনৈতিক ডেপুটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি বলেছেন, ‘রাশিয়া ও চীনের নীরবতা আমাদের মিত্রতা সত্ত্বেও যৌথ প্রতিরক্ষার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছে।’
ইরানের সাবেক রাষ্ট্রদূত নেমাতোল্লাহ ইজাদি বলেন, ‘রাশিয়া যদি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে কাউকে বেছে নিতে বাধ্য হয়, তারা ইসরায়েলকেই বেছে নেবে।’ তাঁর মতে, ইরান ও পশ্চিমের মধ্যে সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ থাকলেই রাশিয়ার জন্য লাভ বেশি।
যুদ্ধ চলাকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন—ইসরায়েলে প্রায় ২০ লাখ রুশ ভাষাভাষী বাস করে, যা দেশটিকে প্রায় রুশভাষী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তেহরানে অনেকেই এই মন্তব্যকে ইরানের চেয়ে ইসরায়েলের প্রতি রাশিয়ার অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
শার্ঘ পত্রিকায় লেখা হয়েছে, ‘এই আচরণ শুধুমাত্র কূটনৈতিক সতর্কতা নয়, বরং রাশিয়ার স্বার্থনির্ভর নীতিরই স্বাভাবিক রূপ।’

সম্প্রতি ইরানের এক শীর্ষ কট্টরপন্থী রাজনীতিক মোহাম্মদ-হোসেইন সাফফার-হারান্দি দাবি করেছেন, রাশিয়া আগেই ইসরায়েলের কাছ থেকে জানতে পেরেছিল যে, তারা ইরান সরকারের পতনের পরিকল্পনা করছে। তাঁর এই মন্তব্যে ইরানে রাশিয়ার ভূমিকাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ইরানের এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের এই সদস্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, গত জুনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা ছিল একটি পরিকল্পিত ‘সরকার পতনের’ অংশ। হারান্দির দাবি, যুদ্ধের দুই থেকে তিন দিন আগেই ইসরায়েলের কিছু প্রতিনিধি রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই পরিকল্পনার কথা জানায় এবং তেহরানের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতা পরিত্যাগ করতে বলে।
হারান্দি বলেন, ‘রাশিয়াকে বলা হয়েছিল, ইসলামিক রিপাবলিক কয়েক দিনের মধ্যেই পতন ঘটবে।’ তবে তিনি কোথা থেকে এই তথ্য পেয়েছেন বা রাশিয়া ইরানকে সতর্ক করেছিল কি না—সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, হারান্দির বক্তব্য নিয়ে ইরানি বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দেশটির সাংবাদিক ও আইনজীবী এসফান্দিয়ার জোলগাদর সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘যদি হারান্দির দাবি সত্য হয়, তাহলে রাশিয়া ইরানকে জানায়নি কেন? নাকি তারাও ভুল করে ভেবেছিল, ইরানের শেষ হয়ে গেছে?’
রাশিয়ার নিঃসঙ্গ অবস্থান
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া ছিল অনেকটাই কূটনৈতিক বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ। মস্কো কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক সহায়তা দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত রাশিয়া তেহরানের পাশে দাঁড়িয়ে ইসরায়েল বা পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায়নি।
ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিলেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। তবে ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে না জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থার সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
ইরানের কিছু বিশ্লেষক বলছেন, এটি রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি সুবিধাবাদী নীতিরই অংশ। শার্ঘ পত্রিকায় গত ৫ আগস্ট প্রকাশিত এক লেখায় বলা হয়, ‘এস-৪০০ কিংবা সু-৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহে রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি না রাখা ও সামরিক সহযোগিতায় বিলম্ব এই সম্পর্কের ওপর পারস্পরিক আস্থার অভাবই প্রমাণ করে।’
রাশিয়া মিত্র না কি সুবিধাবাদী
ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। আইআরজিসি-এর রাজনৈতিক ডেপুটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি বলেছেন, ‘রাশিয়া ও চীনের নীরবতা আমাদের মিত্রতা সত্ত্বেও যৌথ প্রতিরক্ষার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছে।’
ইরানের সাবেক রাষ্ট্রদূত নেমাতোল্লাহ ইজাদি বলেন, ‘রাশিয়া যদি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে কাউকে বেছে নিতে বাধ্য হয়, তারা ইসরায়েলকেই বেছে নেবে।’ তাঁর মতে, ইরান ও পশ্চিমের মধ্যে সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ থাকলেই রাশিয়ার জন্য লাভ বেশি।
যুদ্ধ চলাকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন—ইসরায়েলে প্রায় ২০ লাখ রুশ ভাষাভাষী বাস করে, যা দেশটিকে প্রায় রুশভাষী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তেহরানে অনেকেই এই মন্তব্যকে ইরানের চেয়ে ইসরায়েলের প্রতি রাশিয়ার অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
শার্ঘ পত্রিকায় লেখা হয়েছে, ‘এই আচরণ শুধুমাত্র কূটনৈতিক সতর্কতা নয়, বরং রাশিয়ার স্বার্থনির্ভর নীতিরই স্বাভাবিক রূপ।’

ইরানের পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই কর্মকর্তারাই দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমনের মূল পরিকল্পনাকারী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতারা বিদেশি ব্যাংকে যে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তা–ও তারা নজরদারিতে রেখেছে।
২১ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪ ঘণ্টা আগে