ইরান দাবি করেছে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইসরায়েলি গুপ্তচর বাহমান চৌবি-আসলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইরানি বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ জানিয়েছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে কাজ করছিলেন বাহমান।
রায় অনুযায়ী—ইরানি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ডেটাবেইসে প্রবেশের জন্য বাহমানকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি আমদানির রুট খুঁজে বের করাসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের কাজেও তাঁকে যুক্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ আনা হয়।
মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে বাহমান আপিল করলেও ইরানের সর্বোচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেন এবং ‘পৃথিবীতে দুর্নীতি ছড়ানোর’ অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।
ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ গত জুনে সরাসরি সংঘাতে রূপ নেয়। ইসরায়েল ইরানের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালালে এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। এসব অভিযানে মোসাদের বিশেষ কমান্ডোও অংশ নেয় বলে দাবি তেহরানের।
চলতি বছর ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বেড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অভিযোগে অন্তত ১০ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরেই বাবক শাহবাজি নামে আরেকজনকে ফাঁসি দেওয়া হয়। তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল সামরিক ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত সংবেদনশীল স্থানের তথ্য পাচারের জন্য।
মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে এক হাজারের বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। শুধু গত সপ্তাহেই ৬৪ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়। সংস্থাটির মতে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ সংবাদ প্রকাশে কড়াকড়ি রয়েছে।
সংস্থাটির পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর প্রতিক্রিয়া না থাকায় ইরানের কারাগারগুলোতে নির্বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাত্রা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। ন্যায়বিচারহীন এ ধরনের গণফাঁসি মানবতাবিরোধী অপরাধ।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৮ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে