
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিকল্পের বিস্তৃত তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, এসব বিকল্পের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর আরও ক্ষতি করা অথবা দেশটির সর্বোচ্চ নেতাকে দুর্বল করা। এমনকি কমান্ডো অভিযানও চালানো হতে পারে।
কর্মকর্তারা জানান, দুই সপ্তাহ আগে ট্রাম্প যে প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করছিলেন, নতুন বিকল্পগুলো তার চেয়েও অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়েছে। তখন তিনি ইরানের সরকার ও সংশ্লিষ্ট মিলিশিয়াদের হাতে বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উপায় খুঁজছিলেন। সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলার শর্তে পরিচয় গোপন রেখে কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।
বর্তমান বিকল্পগুলোর মধ্যে এমন সম্ভাবনাও রয়েছে, যেখানে মার্কিন বাহিনী সরাসরি ইরানের ভেতরে অভিযান চালিয়ে নির্দিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে। তবে এই প্রেক্ষাপট এখন ভিন্ন, কারণ অন্তত আপাতত ইরানের বিক্ষোভগুলো নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে।
ট্রাম্প ইরানের ওপর চাপ দিচ্ছেন, যাতে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা বন্ধ করে এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দীর্ঘদিন ধরে হামলা চালিয়ে আসা ও মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে। তিনি ও তাঁর শীর্ষ সহযোগীরা এখন ভাবছেন, এসব লক্ষ্য অর্জনে সামরিক হুমকি বাস্তবে রূপ দেবেন কি না এবং এর মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পথ তৈরি করা সম্ভব কি না।
কর্মকর্তারা বলেন, ট্রাম্প এখনো কোনো সামরিক অভিযানের অনুমোদন দেননি কিংবা পেন্টাগনের দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনোটি বেছে নেননি। প্রেসিডেন্ট কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখছেন। কিছু কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, সামরিক হুমকির কথা প্রকাশ্যে বলার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করা। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প ভাবছেন, সরকার পরিবর্তন আদৌ বাস্তবসম্মত কোনো বিকল্প কি না।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আন্না কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে ইরান নিয়ে অনেক বিকল্প রয়েছে। প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি চান যেন কোনো পদক্ষেপ নিতে না হয়, কিন্তু ইরানি সরকারকে খুব দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই চুক্তিতে আসতে হবে।’
ইরানে কয়েক সপ্তাহ আগে যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই সময় ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলার পাশাপাশি আরও প্রতীকী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার বিষয়টিও বিবেচনা করেছিল। এর মধ্যে ছিল সেই মিলিশিয়ার (আইআরজিসি) সদর দপ্তর, যারা বিক্ষোভ দমনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ শত শত নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড বাতিল করার কথা বলার পর এবং ইসরায়েল ও আরব দেশগুলো হামলা স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানালে ট্রাম্প হঠাৎ করেই তখন সামরিক পদক্ষেপের চিন্তা বাদ দেন।
কর্মকর্তারা বলেন, ইরানের ক্ষেত্রে ট্রাম্প অনেকটা ভেনেজুয়েলার মতোই কৌশল নিচ্ছেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র মাসের পর মাস দেশটির উপকূলের কাছে সামরিক শক্তি জড়ো করেছিল, নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাপ তৈরির অংশ হিসেবে। সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরোকে আটক করে। বর্তমানে তিনি ও তাঁর স্ত্রী নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি ফেডারেল আটক কেন্দ্রে বিচারাধীন।
ইরানের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা সন্দিহান যে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত শর্তগুলো মেনে নেবে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং বিদ্যমান সব পারমাণবিক মজুত পরিত্যাগ করা। এর শুরু হবে প্রায় ৯৬০ পাউন্ড ইউরেনিয়াম দিয়ে, যা প্রায় বোমা-মানের পর্যায়ে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। তবে এসব উপাদানের বেশির ভাগই জুনে চালানো হামলায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।
মার্কিন দাবি এখানেই শেষ নয়। এর সঙ্গে রয়েছে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও সংখ্যা সীমিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সব ধরনের প্রক্সি গোষ্ঠী—হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনে সক্রিয় হুতিদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা। ক্ষেপণাস্ত্রের এই সীমা মানলে কার্যত ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে হামলা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ‘দ্রুততার সঙ্গে সহিংস’ আঘাত হানতে প্রস্তুত। ট্রাম্প লেখেন, ‘আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনায় বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তি করবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়—যা সব পক্ষের জন্য ভালো হবে। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি।’
তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প ও তাঁর শীর্ষ সহযোগীরা ভালোভাবেই জানেন—ইরানে পরবর্তী কোনো অভিযান ভেনেজুয়েলার তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হবে। এতে মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি ও বিপদ অনেক বেশি, আর ইরান ভেনেজুয়েলার তুলনায় অনেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। বুধবার সিনেটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার তুলনায় ইরানে সরকার পরিবর্তন পরিচালনা করা ‘নিঃসন্দেহে আরও অনেক বেশি জটিল’ হবে।
এই কারণেই কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্প এখনো বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভাবছেন। এগুলো একসঙ্গে কিংবা আংশিকভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্পগুলোর একটি হলো গোপনে মার্কিন কমান্ডো পাঠিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সেই অংশগুলো ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা, যা গত জুনের বোমা হামলায় পুরোপুরি নষ্ট হয়নি। ইরানের মতো দেশে পারমাণবিক স্থাপনা বা উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই অনুশীলন করে আসছে।
ট্রাম্প বারবার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে। তবে গত শরতে প্রকাশিত তাঁর নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলপত্রে বলা হয়েছে, জুনের হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ‘গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ করেছে।
অতীতে ট্রাম্প স্থলবাহিনী পাঠানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং ১৯৮০ সালে ইরানে আটক ৫২ মার্কিন জিম্মিকে উদ্ধারে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের ব্যর্থ অভিযানের কথা বারবার উল্লেখ করেছেন। সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভেনেজুয়েলায় নিজের সফল অভিযানের সঙ্গে ‘জিমি কার্টারের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার’ তুলনা করেন। কর্মকর্তারা বলেন, ওই ব্যর্থতা ট্রাম্পের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।
আরেকটি বিকল্প হলো সামরিক ও নেতৃত্ব পর্যায়ের লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক হামলা চালানো, যাতে এমন অস্থিরতা তৈরি হয় যে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বা অন্য কোনো শক্তি ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সরিয়ে দিতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকেই যায়—খামেনি অপসারিত হলে দেশটি কে শাসন করবে এবং নতুন নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আদৌ বেশি নমনীয় হবে কি না।
ট্রাম্প ইরানি নেতাদের ওপর হামলায় আগ্রহী হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ। নিউইয়র্কের ফেডারেল কৌঁসুলিরা গত বছর জানান, ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত হওয়ার ঠিক আগে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে ইরানি ষড়যন্ত্রকারীরা আলোচনা করেছিল।
ইসরায়েল তৃতীয় একটি বিকল্পের জন্য চাপ দিচ্ছে। তারা চায়, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের সঙ্গে যৌথভাবে আবার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে হামলা চালায়। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, গত জুনে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল কর্মসূচিটি ধ্বংস করলেও ইরান এর বড় অংশ আবার পুনর্গঠন করেছে।
ইরানে সামরিক অভিযান তদারকির জন্য গঠিত নতুন সংস্থার প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী শামখানি বুধবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলাকে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে ধরা হবে এবং এর জবাবে ইরান শক্ত হাতে পাল্টা আঘাত হানবে ও তেল আবিবকে লক্ষ্যবস্তু করবে। এ কারণেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের বেসামরিক ও সামরিক উভয় লক্ষ্যবস্তুতেই পৌঁছাতে সক্ষম।
এ সপ্তাহের শুরুতে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দাপ্রধান মেজর জেনারেল শ্লোমি বাইন্ডারের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি ইরান-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেন। একই সময়ে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানও ওয়াশিংটন সফর করছেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন, এসবসহ অন্যান্য বিকল্প এখনো ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের মধ্যে পরিমার্জন ও বিতর্কের মধ্যেই রয়েছে। এখনো কোনো সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়নি। ইরানের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র কোন আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করবে, তা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। আধুনিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই সীমিত হামলার নির্দেশ দিয়ে আসছেন। তবে এই পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
বিশেষ করে যদি অভিযানটি শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি নয়, বরং সরকারকে দুর্বল বা উৎখাত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে তা সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার প্রশ্ন তুলতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভবত ইরানের সন্ত্রাসবাদের প্রতি ব্যাপক সমর্থনের কথা আইনি যুক্তি হিসেবে তুলে ধরবে। যেমনটি করা হয়েছিল ২০২০ সালের জানুয়ারিতে, যখন ট্রাম্প ইরানের কুদস বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যা করার নির্দেশ দেন।
যুক্তরাষ্ট্র কখনো সরাসরি খামেনিকে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা না করলেও, ইরানকে রাষ্ট্র হিসেবে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। খামেনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীরও নেতা, যাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয়ই সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। সোলেইমানিকে হত্যার পর প্রকাশিত একাধিক অংশ কালো করা নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানায়, তিনি ‘মার্কিন সেনা ও কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে আরও হামলার পরিকল্পনা সক্রিয়ভাবে করছিলেন’, তাই সেই হামলাকে বৈধ বলা হয়।
ইরান-সংক্রান্ত নতুন বিকল্পগুলোর জন্য হোয়াইট হাউস কোনো আইনি মতামত নিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প যদি অনুমোদন দেন, সে প্রস্তুতিতে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বিমানবাহী রণতরি আব্রাহাম লিংকন বর্তমানে আরব সাগরে অবস্থান করছে এবং ইরানি লক্ষ্যবস্তুর নাগালের মধ্যেই রয়েছে। রণতরিটিতে এফ/এ-১৮ আক্রমণ বিমান ও স্টেলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, হামলার সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে আরও এক ডজন এফ-১৫ই আক্রমণ বিমান ওই অঞ্চলে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা থেকে সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষায় আরও প্যাট্রিয়ট ও থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত দূরপাল্লার বোমারু বিমানগুলো, যেগুলো ইরানে হামলা চালাতে সক্ষম, সেগুলোও স্বাভাবিকের চেয়ে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে, ইরানে বিক্ষোভ দমনের রক্তক্ষয়ী ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে ট্রাম্প সামরিক বিকল্প চাইলে পেন্টাগন এই সতর্কতা বাড়ায়।

নারীর মর্যাদা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মাসিককালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতাকে সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ঐতিহাসিক এই রায়ে আদালত বলেছেন, মাসিককালীন স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের ‘
১৬ মিনিট আগে
সিরিয়ার কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনী দেশটির সরকারের সঙ্গে এক বিস্তৃত চুক্তিতে পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় তারা সিরিয়ার সেনাবাহিনীতে একীভূত হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
অটোয়ায় কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদের পাশে নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কার্নি বলেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন প্রশাসন কানাডার সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপকালে আমি সব সময়ই বিষয়টি স্পষ্ট করি এবং আমরা একসঙ্গে কী কী কাজ করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা করি।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ায় এক যুগলকে বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক এবং মদ্যপানের অপরাধে ১৪০ বার দোররা মারা তথা বেত্রাঘাত করা হয়েছে। দেশটির শরিয়া বা ইসলামি ধর্মীয় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের এই শাস্তি দেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে