
ইরানের একটি মালবাহী জাহাজে ইউক্রেনের হামলার ঘটনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২৫ জুলাই কাস্পিয়ান সাগরে চালানো ওই হামলা দুই দেশের মধ্যে চলমান পরোক্ষ সংঘাতকে সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন

ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ও শীর্ষ কর্মকর্তারা যুদ্ধের শুরুর দিকেই নিহত হওয়ার কয়েক দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন, ইরানের ক্ষমতা যদি ‘ভেতরের কেউ’ গ্রহণ করত, তাহলে সেটাই সবচেয়ে ভালো হতো।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক ফোনালাপে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এ খবর জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিকল্পের বিস্তৃত তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, এসব বিকল্পের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর আরও ক্ষতি করা অথবা দেশটির সর্বোচ্চ নেতাকে দুর্বল