Ajker Patrika

অস্ত্রবাহী একটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরান

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ১৪ মে ২০২৬, ২০: ৫৩
অস্ত্রবাহী একটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপসাগরে পরিচালিত ‘ফ্লোটিং আর্মারি’ বা ‘ভাসমান অস্ত্রাগার’ হিসেবে পরিচিত একটি জাহাজ ইরানের সামরিক বাহিনী জব্দ করেছে বলে দাবি করেছে সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ‘ভ্যানগার্ড’। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী জাহাজটি বর্তমানে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য তদারকি সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটি এখন ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ভ্যানগার্ড জাহাজটিকে হন্ডুরাসের পতাকাবাহী হুই চুয়ান হিসেবে শনাক্ত করেছে।

‘বিবিসি ভেরিফাই’-এর যাচাই করা জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৪ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সর্বশেষ অবস্থান সংকেত পাঠিয়েছিল জাহাজটি।

ভ্যানগার্ড জানিয়েছে, ‘হুই চুয়ান’ একটি ভাসমান অস্ত্রাগার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এসব জাহাজে বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণ করা হয়। জলদস্যুদের হামলা থেকে বাণিজ্যিক জাহাজ রক্ষায় নিয়োজিত নিরাপত্তারক্ষীরা এসব অস্ত্র ব্যবহার করেন।

তবে জাহাজটিতে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র ছিল বা কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য তা ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি বিবিসি।

এর আগে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল—লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর ও ওমান উপসাগরে এই ধরনের ভাসমান অস্ত্রাগার জাহাজ অবস্থান করে থাকে, যাতে নিরাপত্তারক্ষীরা সহজে অস্ত্র সংগ্রহ ও ফেরত দিতে পারেন।

এদিকে এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার ওমান উপকূলে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, ‘হাজি আলী’ নামের জাহাজটি একটি সন্দেহভাজন ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বিস্ফোরণে ডুবে যায়।

ভ্যানগার্ড জানিয়েছে, জাহাজটিতে গবাদিপশু পরিবহন করা হচ্ছিল। আগুন লাগার পর নাবিকেরা জাহাজ ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং পরে সেটি ডুবে যায়।

ভারত জানিয়েছে, জাহাজে থাকা সব ভারতীয় নাবিক নিরাপদ আছেন। ওমান কোস্ট গার্ড তাঁদের উদ্ধার করে দেশটির দিবা বন্দরে নিয়ে যায়। ১৪ নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে।

অপর দিকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সি চিন পিং হরমুজ প্রণালিকে ‘সামরিকীকরণের’ বিরোধিতা করেছেন। বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা জরুরি—এই বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত