
পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ গড়িয়েছে চতুর্থ সপ্তাহে। বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ১৯ শিশুসহ অন্তত ১৮৫ জন নিহত হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
ইরান হিউম্যান রাইটসের বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভে শনিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত অন্তত ১৮৫ জন নিহত হয়েছে। আর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিহতের ঘটনা ঘটেছে সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে। তবে দেশটিতে ইন্টারনেটের ওপর বিধি-নিষেধ থাকায় হতাহতের ঘটনা দেরিতে প্রকাশ পাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, রোববার (৯ অক্টোবর) ভোরেও ইরানের অনেক শহরে বিক্ষোভ হয়। যেখানে অংশ নেয় শত শত স্কুলছাত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও গোলাবারুদ উপেক্ষা করে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে তাঁরা।
ভিডিওতে দেখা যায়, রোববার দেশটির রাজধানী তেহরানের কয়েকটি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়া অবরোধের ডাকে দেশটির অনেক স্থানেই বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা বিক্ষোভ দমনে তাজা গুলি ব্যবহার করছে। তবে তাজা গুলি ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বিক্ষোভের ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য শত্রু দেশের ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। বিক্ষোভে হতাহতের পাশাপাশি গ্রেপ্তার হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ।

পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ গড়িয়েছে চতুর্থ সপ্তাহে। বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ১৯ শিশুসহ অন্তত ১৮৫ জন নিহত হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
ইরান হিউম্যান রাইটসের বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভে শনিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত অন্তত ১৮৫ জন নিহত হয়েছে। আর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নিহতের ঘটনা ঘটেছে সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে। তবে দেশটিতে ইন্টারনেটের ওপর বিধি-নিষেধ থাকায় হতাহতের ঘটনা দেরিতে প্রকাশ পাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, রোববার (৯ অক্টোবর) ভোরেও ইরানের অনেক শহরে বিক্ষোভ হয়। যেখানে অংশ নেয় শত শত স্কুলছাত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও গোলাবারুদ উপেক্ষা করে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে তাঁরা।
ভিডিওতে দেখা যায়, রোববার দেশটির রাজধানী তেহরানের কয়েকটি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়া অবরোধের ডাকে দেশটির অনেক স্থানেই বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা বিক্ষোভ দমনে তাজা গুলি ব্যবহার করছে। তবে তাজা গুলি ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বিক্ষোভের ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য শত্রু দেশের ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। বিক্ষোভে হতাহতের পাশাপাশি গ্রেপ্তার হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে