
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দাবি করেছে, কাতারের মধ্যস্থতায় তারা ১০০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে পারে যদি এর বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগার থেকে ২০০ ফিলিস্তিনি শিশু ও ৭৫ নারীকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার রাতে আমিরাত-ভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনি শিশু ও নারীদের মুক্তি ছাড়াও জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তা পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছে হামাস। সংগঠনটির সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবায়দা এক বিবৃতিতে এসব শর্তের কথা বলেছেন।
একটি অডিও বার্তায় উবায়দা বলেছেন, ‘মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছি, আমরা গাজায় পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং আমাদের জনগণের জন্য সহযোগিতা চাই—কিন্তু শত্রুরা (ইসরায়েল) এতে গড়িমসি করছে।’
তিনি আরও বলেন, ওই চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় একটি পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি এবং এই উপত্যকার সব স্থানে সাহায্য পাঠাতে হবে।
এদিকে ইসরায়েলি নেতারা এখনো পর্যন্ত জোর গলায় বলছে যে গাজা থেকে জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়ার আগে তারা বৃহত্তর কোনো যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে জিম্মি মুক্তির বিষয়ে কাতার ছাড়া মিসরও মধ্যস্থতা করছে।
হোয়াইট হাউস বলছে সংঘাতের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত সোমবার কাতারের আমির শেখ তামিমের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কাতারের মধ্যস্থতা দুই পক্ষকে একটি চুক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সম্প্রতি দুই মার্কিন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করায় কাতার কর্তৃপক্ষ ও শেখ তামিমকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এ ছাড়া জিম্মি হয়ে থাকা মানুষদের দ্রুত মুক্তির জন্য দুই নেতা একমত হয়েছেন।
ইসরায়েলি এক কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন, চূড়ান্ত ও বিশদ সমাধান হলে কয়েক দিনের মধ্যে চুক্তি ঘোষণা করা হতে পারে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দাবি করেছে, কাতারের মধ্যস্থতায় তারা ১০০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে পারে যদি এর বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগার থেকে ২০০ ফিলিস্তিনি শিশু ও ৭৫ নারীকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার রাতে আমিরাত-ভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনি শিশু ও নারীদের মুক্তি ছাড়াও জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তা পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছে হামাস। সংগঠনটির সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবায়দা এক বিবৃতিতে এসব শর্তের কথা বলেছেন।
একটি অডিও বার্তায় উবায়দা বলেছেন, ‘মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছি, আমরা গাজায় পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং আমাদের জনগণের জন্য সহযোগিতা চাই—কিন্তু শত্রুরা (ইসরায়েল) এতে গড়িমসি করছে।’
তিনি আরও বলেন, ওই চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় একটি পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি এবং এই উপত্যকার সব স্থানে সাহায্য পাঠাতে হবে।
এদিকে ইসরায়েলি নেতারা এখনো পর্যন্ত জোর গলায় বলছে যে গাজা থেকে জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়ার আগে তারা বৃহত্তর কোনো যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে জিম্মি মুক্তির বিষয়ে কাতার ছাড়া মিসরও মধ্যস্থতা করছে।
হোয়াইট হাউস বলছে সংঘাতের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত সোমবার কাতারের আমির শেখ তামিমের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কাতারের মধ্যস্থতা দুই পক্ষকে একটি চুক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সম্প্রতি দুই মার্কিন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করায় কাতার কর্তৃপক্ষ ও শেখ তামিমকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এ ছাড়া জিম্মি হয়ে থাকা মানুষদের দ্রুত মুক্তির জন্য দুই নেতা একমত হয়েছেন।
ইসরায়েলি এক কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন, চূড়ান্ত ও বিশদ সমাধান হলে কয়েক দিনের মধ্যে চুক্তি ঘোষণা করা হতে পারে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ফেরত দিতে পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই কর্মকর্তারাই দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমনের মূল পরিকল্পনাকারী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতারা বিদেশি ব্যাংকে যে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তা–ও তারা নজরদারিতে রেখেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৫ ঘণ্টা আগে