
হরমুজ প্রণালির বর্তমান অবস্থা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, হরমুজ বর্তমানে উন্মুক্ত। অন্যদিকে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি এখনো পুরোপুরি খোলেনি এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা আগামী শুক্রবার নাগাদ ‘সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত’ আকারে খুলে দেওয়া হতে পারে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আজ বুধবার জানান, হরমুজ প্রণালি এখন উন্মুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান যাতে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো যথাযথভাবে মেনে চলে, তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করবে। তবে হরমুজে যাবে না।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের আগে এই জলপথ আংশিক খোলার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। আলোচনায় সরাসরি যুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা বলেন, যদি আলোচনার ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তবে প্রণালিটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সীমিত আকারে খোলা হতে পারে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, এই রুট দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজকে অবশ্যই ইরানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
ইরানি ওই কর্মকর্তা বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘নাজুক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘আমরা স্থায়ী চাই, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও আগের পথে হাঁটে (যুদ্ধের পথে), তবে ইরান যুদ্ধ করতে ভয় পায় না।’
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের কারণে রুটটি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় সৌদি আরব তাদের তেলের খনিগুলো থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত তেল পরিবহনে এই পাইপলাইনটি ব্যবহার করছিল। সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, বুধবারের এই হামলায় পাইপলাইনের প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
৬ মিনিট আগে
সংঘাতের অবসান নিয়ে দুপক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, সামরিকভাবে ইরান পরাজিত হয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষাশিল্প, নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে চুক্তি করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা এই যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘ করা এবং সংকট সমাধানে চূড়ান্ত চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যদিও ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা এখনো বহাল রয়েছে, তবু ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেছেন, সেখানে ‘শাসন পরিবর্তন’ হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
২ ঘণ্টা আগে