
ভেনেজুয়েলায় দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে তা ভিয়েতনাম বা ইরাক যুদ্ধের মতো ভয়াবহ প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের লাতিন আমেরিকান স্টাডিজের অধ্যাপক ডেনিয়েল শ’।

নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দেশটির বিপুল তেলসম্পদ। এক ঘণ্টাব্যাপী সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বারবার বলেছেন—

২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় আনুমানিক ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বে বৃহত্তম জ্বালানি তেলের মজুত। ২৬৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ব্যারেল নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সৌদি আরব। এরপর ২০৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ব্যারেল নিয়ে ইরান এবং ১৬৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ব্যারেল নিয়ে কানাডার অবস্থান যথাক্রমে তিন ও চারে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর আটকের পর প্রশ্ন উঠেছে এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশটির ভার কার হাতে যাবে এ নিয়ে। এদিকে বিরোধী নেত্রী শান্তিতে নোবেলবিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নাম থাকলেও তাঁর নেতৃত্ব পাওয়ার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।