
মহাকুম্ভের পুণ্যস্নানে এসে ভয়ংকর পরিণতির শিকার হয়েছেন দিল্লির এক নারী। পুণ্যস্নানের কথা বলে ওই নারীকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু এক দিন পর হোটেলের বাথরুমে পাওয়া গেছে ওই নারীর গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের ঝুঁসি এলাকায়। তবে স্ত্রীকে হত্যা করে পালানোর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ঠুর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঝুঁসির আজাদনগর কলোনির একটি হোটেলের বাথরুম থেকে ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে প্রয়াগরাজের পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আগের রাতে এক ব্যক্তি তাঁকে স্ত্রী পরিচয়ে ওই হোটেলে নিয়ে এসেছিলেন। তবে হোটেলের ম্যানেজার পরিচয়পত্র যাচাই না করেই তাঁদের রুম ভাড়া দেন। পরদিন সকালে হোটেলের বাথরুমে ওই নারীর গলাকাটা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন ম্যানেজার।
এরপর পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো ধরনের তথ্য না থাকায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে ওই নারী কিছু ছবি প্রকাশ করে পুলিশ। এরপর ছবি দেখে ২১ ফেব্রুয়ারি আত্মীয়রা তাঁকে শনাক্ত করেন।
নিহত নারীর নাম মীনাক্ষী ও তাঁর স্বামীর নাম অশোক কুমার। তাঁরা দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিহত নারীর স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু ওই নারীর স্বামী অশোক কুমারের বর্ণনায় অসংগতি পাওয়া গেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে পুলিশের জেরায় তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
পুলিশি জেরায় অশোক কুমার স্বীকার করেন, তিন মাস ধরে তিনি স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি দিল্লির ত্রিলোকপুরীতে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি একটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অশোক কুমার। তাই স্ত্রীকে হত্যা করে প্রেমিকার সঙ্গে থাকার পরিকল্পনা করেন তিনি।
এই উদ্দেশ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি মহাকুম্ভ পুণ্যস্নানের কথা বলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দিল্লি ছাড়েন। পরদিন অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজের ঝুঁসিতে এসে একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মীনাক্ষী বাথরুমে গেলে পেছন থেকে গলা কেটে হত্যা করেন অশোক। পরে রক্তমাখা পোশাক ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যান।
কেউ যাতে সন্দেহ না করে তাই ১৮ ফেব্রুয়ারি স্ত্রীসহ মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অশোক। এ ছাড়া হত্যার পর ছেলেকে ফোন করে জানান, ভিড়ের মধ্যে মীনাক্ষী হারিয়ে গেছেন।
কিন্তু মায়ের আচমকা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ হয় ছেলের। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি পরিবারসহ প্রয়াগরাজে এসে মায়ের ছবি দেখিয়ে খোঁজ শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের ছবি দেখে শনাক্ত করেন।

মহাকুম্ভের পুণ্যস্নানে এসে ভয়ংকর পরিণতির শিকার হয়েছেন দিল্লির এক নারী। পুণ্যস্নানের কথা বলে ওই নারীকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু এক দিন পর হোটেলের বাথরুমে পাওয়া গেছে ওই নারীর গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের ঝুঁসি এলাকায়। তবে স্ত্রীকে হত্যা করে পালানোর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ঠুর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঝুঁসির আজাদনগর কলোনির একটি হোটেলের বাথরুম থেকে ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে প্রয়াগরাজের পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আগের রাতে এক ব্যক্তি তাঁকে স্ত্রী পরিচয়ে ওই হোটেলে নিয়ে এসেছিলেন। তবে হোটেলের ম্যানেজার পরিচয়পত্র যাচাই না করেই তাঁদের রুম ভাড়া দেন। পরদিন সকালে হোটেলের বাথরুমে ওই নারীর গলাকাটা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন ম্যানেজার।
এরপর পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো ধরনের তথ্য না থাকায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে ওই নারী কিছু ছবি প্রকাশ করে পুলিশ। এরপর ছবি দেখে ২১ ফেব্রুয়ারি আত্মীয়রা তাঁকে শনাক্ত করেন।
নিহত নারীর নাম মীনাক্ষী ও তাঁর স্বামীর নাম অশোক কুমার। তাঁরা দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিহত নারীর স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু ওই নারীর স্বামী অশোক কুমারের বর্ণনায় অসংগতি পাওয়া গেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে পুলিশের জেরায় তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
পুলিশি জেরায় অশোক কুমার স্বীকার করেন, তিন মাস ধরে তিনি স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি দিল্লির ত্রিলোকপুরীতে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি একটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অশোক কুমার। তাই স্ত্রীকে হত্যা করে প্রেমিকার সঙ্গে থাকার পরিকল্পনা করেন তিনি।
এই উদ্দেশ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি মহাকুম্ভ পুণ্যস্নানের কথা বলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দিল্লি ছাড়েন। পরদিন অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজের ঝুঁসিতে এসে একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মীনাক্ষী বাথরুমে গেলে পেছন থেকে গলা কেটে হত্যা করেন অশোক। পরে রক্তমাখা পোশাক ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যান।
কেউ যাতে সন্দেহ না করে তাই ১৮ ফেব্রুয়ারি স্ত্রীসহ মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অশোক। এ ছাড়া হত্যার পর ছেলেকে ফোন করে জানান, ভিড়ের মধ্যে মীনাক্ষী হারিয়ে গেছেন।
কিন্তু মায়ের আচমকা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ হয় ছেলের। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি পরিবারসহ প্রয়াগরাজে এসে মায়ের ছবি দেখিয়ে খোঁজ শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের ছবি দেখে শনাক্ত করেন।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদিবিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদিবিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১২ ঘণ্টা আগে