
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মারক হিসেবে বিশ্বনেতাদের হাতে বোনা চাদর উপহার দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ রোববার জি-২০ নেতারা মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে তাঁদের খাদি চাদর দিয়ে স্বাগতম জানানো হয়।
হাতে বোনা এ খাদি মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের প্রতীক। গান্ধীর আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছিল। যদি স্বাধীন ভারতে ১৯৪৮ সালে উগ্র হিন্দুত্ববাদীর গুলিতে নিহত হন ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের গলায় হাতে বোনা অফ-হোয়াইট রঙের সুতি চাদর জড়িয়ে দিতে দেখা যায়। মোদি, বাইডেন, ঋষি সুনাক ও অন্যরা গলায় এ চাদর জড়িয়ে সবরমতী আশ্রমের সামনে ছবি তোলেন। ভারতজুড়ে গান্ধীর বেশ কয়েকটি আশ্রমের মধ্যে গুজরাটের সবরমতী আশ্রম অন্যতম।
সারা বিশ্বে শান্তি ও অহিংসার বৈশ্বিক প্রতিমূর্তি গান্ধীর কাছে খাদি চাদর ছিল স্বনির্ভরতার প্রতীক। কারণ, পরিধেয় এ কাপড় ভারতীয়রা আমদানি করা পণ্য বা ব্রিটিশদের তৈরি পণ্য বয়কট করে স্থানীয়ভাবে তৈরি করতেন। খাদি তৈরির মাধ্যমে ভারতীয়রা প্রমাণ করেন তাঁরা নিজস্ব শিল্প তৈরিতে সক্ষম। তাঁদের উপনিবেশ শাসনব্যবস্থার ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই।
গান্ধী তাঁর পরনের খাদিটি সাধারণত নিজেই চরকায় বুনতেন। পরে এ চরকা হয়ে ওঠে দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির প্রতীক।
আজ ভারতের রাজঘাটে বিশ্বনেতারা গলায় চাদর মুড়িয়ে গান্ধীর শেষকৃত্যের স্থান চিহ্নিত উঁচু মার্বেলের সামনে নীরবে সমবেত হন।
নরেন্দ্র মোদি এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘যেহেতু বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানেরা একত্রিত হয়েছে, গান্ধীজির কালজয়ী আদর্শ আমাদের সম্প্রীতিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও সমৃদ্ধ বৈশ্বিক ভবিষ্যৎ গঠনের সম্মিলিত উদ্দেশ্যের পথ নির্দেশক হবে।’
ভারতীয় সংস্কৃতিতে গান্ধীর আদর্শ অবিস্মরণীয় ছাপ রেখেছে। প্রত্যেক ভারতীয় মুদ্রায় গান্ধীর ছবি। অসংখ্য ভবন, জাদুঘর, সড়ক ও স্থাপত্য তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মারক হিসেবে বিশ্বনেতাদের হাতে বোনা চাদর উপহার দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ রোববার জি-২০ নেতারা মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে তাঁদের খাদি চাদর দিয়ে স্বাগতম জানানো হয়।
হাতে বোনা এ খাদি মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের প্রতীক। গান্ধীর আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছিল। যদি স্বাধীন ভারতে ১৯৪৮ সালে উগ্র হিন্দুত্ববাদীর গুলিতে নিহত হন ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের গলায় হাতে বোনা অফ-হোয়াইট রঙের সুতি চাদর জড়িয়ে দিতে দেখা যায়। মোদি, বাইডেন, ঋষি সুনাক ও অন্যরা গলায় এ চাদর জড়িয়ে সবরমতী আশ্রমের সামনে ছবি তোলেন। ভারতজুড়ে গান্ধীর বেশ কয়েকটি আশ্রমের মধ্যে গুজরাটের সবরমতী আশ্রম অন্যতম।
সারা বিশ্বে শান্তি ও অহিংসার বৈশ্বিক প্রতিমূর্তি গান্ধীর কাছে খাদি চাদর ছিল স্বনির্ভরতার প্রতীক। কারণ, পরিধেয় এ কাপড় ভারতীয়রা আমদানি করা পণ্য বা ব্রিটিশদের তৈরি পণ্য বয়কট করে স্থানীয়ভাবে তৈরি করতেন। খাদি তৈরির মাধ্যমে ভারতীয়রা প্রমাণ করেন তাঁরা নিজস্ব শিল্প তৈরিতে সক্ষম। তাঁদের উপনিবেশ শাসনব্যবস্থার ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই।
গান্ধী তাঁর পরনের খাদিটি সাধারণত নিজেই চরকায় বুনতেন। পরে এ চরকা হয়ে ওঠে দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির প্রতীক।
আজ ভারতের রাজঘাটে বিশ্বনেতারা গলায় চাদর মুড়িয়ে গান্ধীর শেষকৃত্যের স্থান চিহ্নিত উঁচু মার্বেলের সামনে নীরবে সমবেত হন।
নরেন্দ্র মোদি এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘যেহেতু বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানেরা একত্রিত হয়েছে, গান্ধীজির কালজয়ী আদর্শ আমাদের সম্প্রীতিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও সমৃদ্ধ বৈশ্বিক ভবিষ্যৎ গঠনের সম্মিলিত উদ্দেশ্যের পথ নির্দেশক হবে।’
ভারতীয় সংস্কৃতিতে গান্ধীর আদর্শ অবিস্মরণীয় ছাপ রেখেছে। প্রত্যেক ভারতীয় মুদ্রায় গান্ধীর ছবি। অসংখ্য ভবন, জাদুঘর, সড়ক ও স্থাপত্য তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদিবিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদিবিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১২ ঘণ্টা আগে