কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা এখন চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে এক কংগ্রেসপন্থী কর্মীর অশ্লীল মন্তব্যের জেরে আজ শুক্রবার বিহারের রাজধানী পাটনায় কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তর রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। একই সঙ্গে কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনে বিজেপি কর্মীরা রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার আগুনে পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
কয়েক দিন আগে দরভঙ্গায় কংগ্রেসের এক সমাবেশে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। কংগ্রেসের ওই কর্মী মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটায় বলে বিজেপি অভিযোগ তোলে, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব থেকেছেন।
আজ সকালে এর জেরে বিজেপির একটি মিছিল পাটনার সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেস রাজ্য দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয়। মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি। হাতে পতাকা ও লাঠি নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন উভয় দলের কর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং কংগ্রেস দপ্তরের গেট ও আশপাশের বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। ব্যাপক লাঠিপেটা করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হয়। পাটনা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও বিজেপি কর্মীরা উত্তপ্ত বিক্ষোভ করেন। সেখানে রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার ছিঁড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, মোদির বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্যের জবাব দিতেই এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। তবে কংগ্রেস এটিকে একটি পরিকল্পিত ভাঙচুর বলে দাবি করেছে। এ ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।
সংঘর্ষ ও প্রতিবাদের পর উভয় দলই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনের আগে ভয় দেখানোর কৌশল নিচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করছে।
অন্যদিকে বিজেপি বলছে, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কংগ্রেসের প্রকাশ্য মঞ্চে কটূক্তি করা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দেশবাসী তা মেনে নেবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ—এ দুটি রাজ্য নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। সেখানে এ ধরনের সংঘর্ষ ও সহিংসতা ভারতীয় রাজনীতিতে বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন—নির্বাচনের আগে দেশে কি গণতান্ত্রিক আবহ বজায় রাখা সম্ভব হবে?

ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা এখন চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে এক কংগ্রেসপন্থী কর্মীর অশ্লীল মন্তব্যের জেরে আজ শুক্রবার বিহারের রাজধানী পাটনায় কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তর রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। একই সঙ্গে কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনে বিজেপি কর্মীরা রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার আগুনে পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
কয়েক দিন আগে দরভঙ্গায় কংগ্রেসের এক সমাবেশে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। কংগ্রেসের ওই কর্মী মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটায় বলে বিজেপি অভিযোগ তোলে, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব থেকেছেন।
আজ সকালে এর জেরে বিজেপির একটি মিছিল পাটনার সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেস রাজ্য দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয়। মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি। হাতে পতাকা ও লাঠি নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন উভয় দলের কর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং কংগ্রেস দপ্তরের গেট ও আশপাশের বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। ব্যাপক লাঠিপেটা করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হয়। পাটনা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও বিজেপি কর্মীরা উত্তপ্ত বিক্ষোভ করেন। সেখানে রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার ছিঁড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, মোদির বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্যের জবাব দিতেই এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। তবে কংগ্রেস এটিকে একটি পরিকল্পিত ভাঙচুর বলে দাবি করেছে। এ ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।
সংঘর্ষ ও প্রতিবাদের পর উভয় দলই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনের আগে ভয় দেখানোর কৌশল নিচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করছে।
অন্যদিকে বিজেপি বলছে, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কংগ্রেসের প্রকাশ্য মঞ্চে কটূক্তি করা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দেশবাসী তা মেনে নেবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ—এ দুটি রাজ্য নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। সেখানে এ ধরনের সংঘর্ষ ও সহিংসতা ভারতীয় রাজনীতিতে বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন—নির্বাচনের আগে দেশে কি গণতান্ত্রিক আবহ বজায় রাখা সম্ভব হবে?

ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। সর্বশেষ, গত শনিবার বিক্ষোভ দমনে অভিযানের সময় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা।
৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা চালাবে। কিন্তু তাঁর এ কথার পুরো উল্টো পথে হাঁটলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
২৪ মিনিট আগে
ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডের হিটন রোডে অবস্থিত জামিয়া উসমানিয়া মসজিদ সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচিত হচ্ছে। এখানে শুধু নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতই অনুষ্ঠিত হয় না, পাশাপাশি আধুনিক স্বাস্থ্য সচেতনতার এক বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে এই মসজিদ।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের গাজিয়াবাদে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সন্দেহভাজন তথাকথিত ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ শনাক্ত করতে তাদের পিঠে একটি যন্ত্র রাখার দৃশ্য সামনে এসেছে। পুলিশ সদস্যরাই যন্ত্রটি ব্যবহার করছেন। সেই যন্ত্রের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ দাবি করছে যে, ওই ব্যক্তি ভারতীয় নন, বরং বাংলাদেশি।
২ ঘণ্টা আগে