
গুজরাটের আহমেদাবাদে ভয়াবহ উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর এক যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই তথ্য জানিয়েছেন আহমেদাবাদ পুলিশ কমিশনার জ্ঞানেন্দ্র সিং মালিক।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে পুলিশ কমিশনার জানান, উদ্ধার হওয়া ওই যাত্রী ছিলেন উড়োজাহাজের ১১এ নম্বর আসনে। দুর্ঘটনার পর তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
লন্ডনগামী উড়োজাহাজটি আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বেসামরিক উড়োজাহাজ চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ) জানায়, উড়োজাহাজে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৩০ জন ছিলেন যাত্রী এবং ১২ জন উড়োজাহাজকর্মী।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও এর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ভিডিওতে দেখা যায়, উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে উড়োজাহাজের পেছনের অংশ নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে এবং হঠাৎ মাটিতে আছড়ে পড়ে। উড়োজাহাজটি পড়ে যায় বিমানবন্দর-সংলগ্ন মেঘানি নগর এলাকায়।
আজ বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় বেসামরিক উড়োজাহাজ পরিবহনমন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু। প্রাথমিকভাবে তিনি জানান, দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজের সব আরোহী নিহত হয়েছেন। তবে কিছু সময় পর পুলিশ কমিশনার মালিক বলেন, ঘটনাস্থলে একজন যাত্রীকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
আরও খবর পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে