আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার তাঁকে গ্রেপ্তার করে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ রোববার সকাল থেকেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আট ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগামীকাল সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
মনীশ সিসোদিয়াকে গ্রেপ্তারে নিন্দা জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মনীশ নির্দোষ। তাঁর গ্রেপ্তার নোংরা রাজনীতির অংশ। মনীশকে গ্রেপ্তার করায় মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সকলেই সবকিছু দেখছে এবং বুঝতে পারছে। জনগণ এর জবাব দেবে। তবে এটি আমাদের গতি আরও বাড়িয়ে দেবে। আমাদের আন্দোলন বেগবান হবে।’
এক সংবাদ সম্মেলনে আম আদমি পার্টি দাবি করে, বিজেপি মনীশ সিসোদিয়াকে দুর্নীতিবাজ বলে মনে করলেও তাঁর বাড়ি কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। তাঁরা কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি। এই গ্রেপ্তারকে আম আদমি পার্টি ও কেজরিওয়ালের জনপ্রিয়তার বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে দাবি করা হয়।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের ২২ জুলাই নতুন আবগারি নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা। তিনি এ বিষয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেন। দিল্লির মুখ্য সচিব একটি রিপোর্ট দিয়ে জানান, মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। মদের ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
একই বছরের ২৮ জুলাই সিসোদিয়া জানান, পরবর্তী ৬ মাস দিল্লিতে পুরোনো আবগারি নীতিই কার্যকর থাকবে। যত দিন না নতুন আবগারি নীতি চালু হচ্ছে, তত দিন পুরোনো নীতি মেনে চলা হবে। ১৭ আগস্ট মামলা রুজু করে সিবিআই।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে