অনাস্থা প্রস্তাবের জবাবে ওয়াকআউট করায় বিরোধী দলগুলোকে উপহাস করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘তারা সংসদ থেকে পালিয়ে গেছে।’ গত বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে এমন উপহাস করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটে হারের ভয়ে সংসদ থেকে বিরোধীদলগুলো ওয়াকআউট করেছে। এনডিটিভির খবরে এমনটাই বলা হয়েছে।
আজ শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদ’ এর উদ্বোধনী সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি বলেন, ‘মাত্র দুই দিন আগে আমরা সংসদে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবকে পরাজিত করেছি। আমরা তাদের প্রচারিত নেতিবাচকতাকেও পরাজিত করেছি। আসলে বিরোধী দলগুলো অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট দিতে ভয় পাচ্ছিল। তারা ভোটাভুটি চায়নি কারণ এতে তাদের জোটের ফাটল সবার সামনে এসে যেত। তাই তারা সংসদ থেকে পালিয়েছে।’
লোকসভায় কণ্ঠভোটের মাধ্যমে অনাস্থা প্রস্তাব পরাজিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন বিরোধী দলগুলো শুধু মণিপুর নিয়ে রাজনীতি করতে চেয়েছে। তারা আলোচনা নিয়ে সিরিয়াস ছিলেন না। তারা শুধু এ নিয়ে রাজনীতি করতে চেয়েছে।
কংগ্রেসের ‘দারিদ্র্য হটাও’ স্লোগানকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘বাস্তবে, তারা দারিদ্র্য সরানোর জন্য ও দেশের দরিদ্র মানুষের অবস্থার উন্নতির জন্য কিছুই করেনি। বিজেপি সরকার দরিদ্রদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।’
গত মাসের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীদের ভয় দেখানোর জন্য ‘সন্ত্রাস ও হুমকি’ ব্যবহার করায় তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র নিন্দা করেছেন মোদী।
মোদী আরো বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলকে হুমকি দেওয়ার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাংলার মানুষের ভালোবাসায় জনগণের জয় হয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রার্থীরা জয়ের পরও বিজয়ী মিছিল বের করতে পারছে না। কেউ মিছিল বের করলেই হামলার শিকার হচ্ছে। এটাই তৃণমূলের রাজনীতি।’

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে