
ভারতের জনপ্রিয় সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির মালিকানা গ্রহণের বিষয়টি স্রেফ ব্যবসা নয় বরং দায়িত্ব। স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি এ মন্তব্য করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির মালিকানাধীন কনগ্লোমারেট ভারতে স্বাধীন গণমাধ্যমের উদাহরণ হিসেবে পরিচিত এনডিটিভি কিনে নেওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে। আদানি গ্রুপের এই পরিকল্পনা দেশটির সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাদের আশঙ্কা, মালিকানার পরিবর্তন এনডিটিভির সম্পাদকীয় সততাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে ইঙ্গিত করে আদানি বলেন, ‘স্বাধীনতা মানে, সরকার কোনো ভুল করলে সেটাকে আপনি ভুল বলেই আখ্যা দেবেন। তবে একই সময়ে যখন সরকার প্রতিদিন সঠিক কাজ করছে, তখন সেটি প্রচার করার সাহসও আপনার থাকা উচিত।’
সাক্ষাৎকারে আদানি আরও বলেছেন, তিনি এনডিটিভির মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায়কে আদানি গ্রুপ কর্তৃক এনডিটিভি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সম্প্রচার মাধ্যমটির বর্তমান মালিক প্রণয় রায় ও রাধিকা রায়। তাঁরা আগেও জানিয়েছিলেন, আদানি গ্রুপ তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই তাদের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে নিয়েছে।
এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন বিশ্বপ্রধান কমার্শিয়াল প্রাইভেট লিমিটেড (ভিসিপিএল) তাঁদের ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ মালিকানা কিনে নেওয়ার দাবি করেছে। বহু আগে, আরআরপিআর নামে এক সংস্থা থেকে ৪০৯ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিল এনডিটিভি। ভিসিপিএলের দাবি, সেই সংস্থার ৯৯ শতাংশ মালিকানা তারা কিনে নিয়েছে। তাই এনডিটিভির ২৯.১৮ শতাংশ শেয়ার এখন তাদের দখলে।

ভারতের জনপ্রিয় সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির মালিকানা গ্রহণের বিষয়টি স্রেফ ব্যবসা নয় বরং দায়িত্ব। স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি এ মন্তব্য করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির মালিকানাধীন কনগ্লোমারেট ভারতে স্বাধীন গণমাধ্যমের উদাহরণ হিসেবে পরিচিত এনডিটিভি কিনে নেওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে। আদানি গ্রুপের এই পরিকল্পনা দেশটির সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাদের আশঙ্কা, মালিকানার পরিবর্তন এনডিটিভির সম্পাদকীয় সততাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে ইঙ্গিত করে আদানি বলেন, ‘স্বাধীনতা মানে, সরকার কোনো ভুল করলে সেটাকে আপনি ভুল বলেই আখ্যা দেবেন। তবে একই সময়ে যখন সরকার প্রতিদিন সঠিক কাজ করছে, তখন সেটি প্রচার করার সাহসও আপনার থাকা উচিত।’
সাক্ষাৎকারে আদানি আরও বলেছেন, তিনি এনডিটিভির মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায়কে আদানি গ্রুপ কর্তৃক এনডিটিভি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সম্প্রচার মাধ্যমটির বর্তমান মালিক প্রণয় রায় ও রাধিকা রায়। তাঁরা আগেও জানিয়েছিলেন, আদানি গ্রুপ তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই তাদের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে নিয়েছে।
এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন বিশ্বপ্রধান কমার্শিয়াল প্রাইভেট লিমিটেড (ভিসিপিএল) তাঁদের ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ মালিকানা কিনে নেওয়ার দাবি করেছে। বহু আগে, আরআরপিআর নামে এক সংস্থা থেকে ৪০৯ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিল এনডিটিভি। ভিসিপিএলের দাবি, সেই সংস্থার ৯৯ শতাংশ মালিকানা তারা কিনে নিয়েছে। তাই এনডিটিভির ২৯.১৮ শতাংশ শেয়ার এখন তাদের দখলে।

যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা ও পুনর্গঠন তদারকির পাশাপাশি বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে’ যোগ দেওয়ার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি সুরক্ষিত এলাকায় চীনা মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে ১ চীনা নাগরিক ও ছয় আফগান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় এক শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
৪০ মিনিট আগে
গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৯ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৯ ঘণ্টা আগে