
বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী, এনসিপির প্রধান অজিত পাওয়ার। মুম্বাই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের পাশাপাশি দুই পাইলট এবং তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আজ বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ মুম্বাই থেকে একটি ছোট উড়োজাহাজে করে বারামতীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অজিত পাওয়ার। আকাশপথের এক ঘণ্টার যাত্রা শেষে বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে। সামনেই স্থানীয় নির্বাচন, আর সেই প্রচারের উদ্দেশ্যে আজ বারামতীতে পাওয়ারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনসভা করার কথা ছিল।
দুর্ঘটনাস্থলের বিভিন্ন ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে দাউ দাউ করে আগুন ও ধোঁয়া বেরোচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহত ব্যক্তিদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের (ডিজিসিএ) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উড়োজাহাজে থাকা পাঁচজন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় মহারাষ্ট্র তথা ভারতের রাজনৈতিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই অপূরণীয় ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করেছেন।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের মেগারকেট ‘স্টারশিপ’ ১৪তম বারের মতো পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের পর অবশেষে সফলভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টেক্সাসের স্টারবেস কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণের পর মহাকাশে ২৬টি স্টারলিংক ভি-৩ স্যাটেলাইট স্থাপন করে রকেটটি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরানি বার্তা সংস্থা আইএসএনএ-এর এক প্রতিবেদনের বরাতে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে...
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক ‘ধাক্কা’ খাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চল ছেড়ে যেতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। আজ দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ইকুয়েডরের বন্দরনগরী মান্তা বিশ্বজুড়ে ‘টুনা মাছের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এখানকার মানুষ প্রশান্ত মহাসাগরের সমৃদ্ধ জলরাশিতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। কিন্তু দারিদ্র্য, সীমিত কর্মসংস্থান এবং বিপুল অর্থের হাতছানিতে মান্তার কিছু জেলে এখন জড়িয়ে পড়ছেন কোকেন পাচারের সঙ্গে।
১০ ঘণ্টা আগে