
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত একটি স্কুল পাঠ্যবই নিষিদ্ধ করেছে। কারণ এতে বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতির উল্লেখ ছিল। অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায় নিয়ে বিতর্কের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিবিসি জানিয়েছে, বইটি প্রকাশ করেছিল ভারতের ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেইনিং’ (এনসিইআরটি)। দেশজুড়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবই প্রণয়ন করে এই প্রতিষ্ঠানটি। সংশোধিত সংস্করণের ওই বইটিতে ‘সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক এক অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির উল্লেখ এবং মামলার বিশাল জটের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী—ভারতের আদালতগুলোতে বর্তমানে পাঁচ কোটির বেশি মামলা ঝুলে আছে। পাঠ্যবইটিতে বিচারপ্রক্রিয়ায় বিলম্বের জন্য বিচারকের স্বল্পতা, জটিল আইনি প্রক্রিয়া এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতাকে দায়ী করা হয়েছে। তবে আইনজীবীদের একাংশ অধ্যায়টির ভাষাকে ‘কেলেঙ্কারিপূর্ণ’ ও বিচার বিভাগের প্রতি অসম্মানজনক বলে মন্তব্য করেন।
বুধবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বইটির কড়া সমালোচনা করে বলেন, এই ধরনের বিষয়বস্তু বিচার বিভাগের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। পরে এনসিইআরটি বইটি বিতরণ থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। কিন্তু তাতেই থেমে থাকেননি আদালত।
বৃহস্পতিবার আদালত বইটির প্রকাশনা, পুনর্মুদ্রণ বা ডিজিটাল প্রচারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালত মন্তব্য করেন, বইটির বিষয়বস্তু ‘চরম অবমাননাকর’ ও ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’। একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ আমলা এবং এনসিইআরটি পরিচালককে নোটিশ পাঠিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, স্কুলশিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে যে বিচারব্যবস্থা দুর্নীতিগ্রস্ত—এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক। আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি মন্তব্য করেন, অধ্যায়টি একপেশে। এতে রাজনীতি বা আমলাতন্ত্রের দুর্নীতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়নি।’

একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জিনা রাইনহার্টকে খনির রয়্যালটির অংশ ভাগ করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রায় এক দশক ধরে চলা বিরোধের নিষ্পত্তিতে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও আরও কয়েকটি জাহাজে করে প্রায় ৬ হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ম্যাগাজিনটির সর্বশেষ সংখ্যার কভারে দেখা গেছে—একজন সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী একজন ফিলিস্তিনি মেয়েকে মোবাইল ফোনে ধারণ করছে। ছবিটির শিরোনাম ছিল ‘দ্য অ্যাবিউজ’ বা ‘অত্যাচার’। প্রচ্ছদটিকে মূলত পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছে ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ শুরু হওয়ার গত ৪৮ ঘণ্টায় কোনো জাহাজ ইরানের বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি এবং কোনো জাহাজ সেখান থেকে বেরও হতে পারেনি বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে