কলকাতা প্রতিনিধি

ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেবেন কংগ্রেসের সাবেক নেতা ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নেতা শারদ পাওয়ার। হাঁটবেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর পাশে। মহারাষ্ট্রের বর্ষীয়ান এই নেতা নিজেই আজ সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন।
শারদ পাওয়ারের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন মতাদর্শের লোককে সংঘবদ্ধ করার জন্যই পদযাত্রায় নেমেছেন রাহুল গান্ধী। তাই তিনি এনসিপি দলের নেতা হয়েও কংগ্রেসের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এক সময় রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন শারদ পাওয়ার। পরে অন্যদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গঠন করেছিলেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। সেই শারদই আগামী ৭ নভেম্বর কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করলে তাতে অংশ নেবেন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয় ভারত জোড়ো যাত্রা। ১৫০ দিনে ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে কাশ্মীর পৌঁছানোর কথা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের। এরই মধ্যে তামিলনাড়ু, কেরালা, কর্ণাটক পার করে পদযাত্রা এখন অন্ধ্রপ্রদেশে। সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে নবনির্বাচিত সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুরসহ আরও অনেকেই অংশ নিয়েছেন এই পদযাত্রায়।
এদিকে, পদযাত্রা চলাকালেই নতুন করে বিপত্তি দেখা দিয়েছে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দাতব্য প্রতিষ্ঠানে বিদেশি অনুদান বন্ধের সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টি নিয়ে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন এবং রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টে বিদেশি মুদ্রায় অনুদান গ্রহণের অনুমতি বাতিল করে দিয়েছে। তাই সংস্থা দুটি কোনো বৈদেশিক অনুদান নিতে পারবে না। এই দুই সংস্থারই শীর্ষে রয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। সংস্থা দুটি উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন জায়গায় জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত।
অপরদিকে, সংস্থা দুটি বন্ধ করার জন্য বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতিকে দায়ী করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। তাঁর মতে, বেকারত্ব বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রভৃতি থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোড়াতেই গান্ধী পরিবারের নামে কুৎসা রটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বিজেপি। তবে বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদের অভিযোগ, ‘চীনা দূতাবাস থেকে অনুদান গ্রহণ করলেও সংস্থা দুটি অনুদান গ্রহণের কোনো কারণ দেখাতে পারেনি। দেশবাসী জানতে চায় কেন তাঁরা চীনা দূতাবাস থেকে অর্থ নিয়েছিল।’

ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেবেন কংগ্রেসের সাবেক নেতা ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নেতা শারদ পাওয়ার। হাঁটবেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর পাশে। মহারাষ্ট্রের বর্ষীয়ান এই নেতা নিজেই আজ সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন।
শারদ পাওয়ারের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন মতাদর্শের লোককে সংঘবদ্ধ করার জন্যই পদযাত্রায় নেমেছেন রাহুল গান্ধী। তাই তিনি এনসিপি দলের নেতা হয়েও কংগ্রেসের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এক সময় রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন শারদ পাওয়ার। পরে অন্যদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গঠন করেছিলেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। সেই শারদই আগামী ৭ নভেম্বর কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করলে তাতে অংশ নেবেন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয় ভারত জোড়ো যাত্রা। ১৫০ দিনে ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে কাশ্মীর পৌঁছানোর কথা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের। এরই মধ্যে তামিলনাড়ু, কেরালা, কর্ণাটক পার করে পদযাত্রা এখন অন্ধ্রপ্রদেশে। সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে নবনির্বাচিত সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুরসহ আরও অনেকেই অংশ নিয়েছেন এই পদযাত্রায়।
এদিকে, পদযাত্রা চলাকালেই নতুন করে বিপত্তি দেখা দিয়েছে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দাতব্য প্রতিষ্ঠানে বিদেশি অনুদান বন্ধের সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টি নিয়ে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন এবং রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টে বিদেশি মুদ্রায় অনুদান গ্রহণের অনুমতি বাতিল করে দিয়েছে। তাই সংস্থা দুটি কোনো বৈদেশিক অনুদান নিতে পারবে না। এই দুই সংস্থারই শীর্ষে রয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। সংস্থা দুটি উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন জায়গায় জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত।
অপরদিকে, সংস্থা দুটি বন্ধ করার জন্য বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতিকে দায়ী করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। তাঁর মতে, বেকারত্ব বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রভৃতি থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোড়াতেই গান্ধী পরিবারের নামে কুৎসা রটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বিজেপি। তবে বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদের অভিযোগ, ‘চীনা দূতাবাস থেকে অনুদান গ্রহণ করলেও সংস্থা দুটি অনুদান গ্রহণের কোনো কারণ দেখাতে পারেনি। দেশবাসী জানতে চায় কেন তাঁরা চীনা দূতাবাস থেকে অর্থ নিয়েছিল।’

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে