
ভারতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে প্লাজমার বদলে মুসাম্বির (এক ধরনের লেবু) জুস দেওয়ায় এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা দেশটির উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের একটি বেসরকারি হাসপাতালের। এই বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিবার পুলিশে অভিযোগ করেছে। উত্তর প্রদেশের পুলিশ গতকাল শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেঙ্গু আক্রান্ত ওই রোগীকে মুসাম্বির জুস দেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হতেই উত্তর প্রদেশ সরকার হাসপাতালটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে একই সঙ্গে বলেছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেছে, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত নয়। তাঁরা অন্য জায়গা থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করেছিলেন। তবে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এরই মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।
প্রয়াগরাজের গ্লোবাল হাসপাতাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারে গত ১৭ অক্টোবর প্রদীপ পান্ডে নামে এক ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন। চিকিৎসকেরা তাঁকে প্লাজমা দেওয়ার পরপরই গত ১৯ অক্টোবর মারা যান প্রদীপ। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস দেওয়ার পরই প্রদীপের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গড়া হয়েছে। হাসপাতালটি আপাতত সিল করাই থাকবে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৪ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে