আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, এসব দেশ অন্যদের ওপর নিজেদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি তিনি পশ্চিমা নেতাদের মাথা ঠান্ডা করে আরামে ঘুমানোর পরামর্শও দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সোচিতে রুশ থিংক ট্যাংক ভলদাই ডিসকাশন ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভাষণ দেন পুতিন। সেখানে তিনি বলেন, যেসব রাজনৈতিক ব্যবস্থা অন্যদের ওপর জোর করে নিজেদের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেয়, সেগুলো স্থায়ী হয় না। পুতিন বলেন, ‘একসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ভুল করেছিল নিজেদের ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়ে। এখন সেই কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই পথে হাঁটছে।’
রাশিয়া নাকি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রে হামলা চালাবে—ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা বারবার এমন দাবি করছেন। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘অর্থহীন বুলি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব নেতার উচিত হবে শান্ত হওয়া।
পুতিন বলেন, এ ধরনের ধারণা ‘অকল্পনীয়’। তাঁর মতে, ইইউ নেতারা যদি সত্যিই এটা বিশ্বাস করেন, তবে তাঁরা অযোগ্য। আর যদি বিশ্বাস না করেন, তবুও নাগরিকদের তা বোঝাতে চান, তবে তাঁরা অসৎ। পুতিন বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই—মাথা ঠান্ডা করুন, আরামে ঘুমান কিংবা নিজেদের সমস্যার দিকে মনোযোগ দিন।’
ইইউভুক্ত কয়েকটি দেশ, বিশেষ করে পোল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ইউক্রেনে রাশিয়া জয়ী হলে তারা ন্যাটো বা ইইউ সদস্য দেশগুলোর ওপর হামলা চালাতে পারে। রুশ কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এ ধরনের ভীতি ছড়িয়ে এসব দেশ রাশিয়ার আগ্রাসনের অজুহাতে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে।
এ সময় পুতিন পশ্চিম ইউরোপে চলমান সামাজিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, অনেক মানুষ সেখানে শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ‘জেন্ডার সন্ত্রাসে’ বিরক্ত হয়ে রাশিয়ায় চলে আসছে। পুতিনের ভাষায়, এই মানুষগুলো রাজনৈতিক কারণে নয়, মূলত মূল্যবোধের কারণে রাশিয়ায় আসছে। বিশেষ করে বড় বড় ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে অনেকে পাড়ি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘শিশুদের বিরুদ্ধে জেন্ডার সন্ত্রাস অনেকেরই পছন্দ নয়। তাই তারা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে, আমাদের দেশে আসছে। ঈশ্বর চাহে তো, আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’ পুতিন এখানে ইঙ্গিত করেন পশ্চিমা দেশগুলোর স্কুলে অপ্রচলিত লিঙ্গ পরিচয় প্রচার, ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সমর্থন আর যৌন পরিচয় পরিবর্তনের মতো নীতির প্রতি।
এ ছাড়া চলতি বছর একটি প্রেসিডেন্ট ডিক্রিতে বলা হয়েছে, যেসব নাগরিক ৪৭টি ‘অবন্ধুসুলভ’ দেশে বসবাস করছে এবং নিজ দেশের মতাদর্শিক নীতি মেনে নিতে পারছে না, তারা সহজ প্রক্রিয়ায় রাশিয়ায় অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে পারবে।
রাশিয়া এখন ‘প্রচলিত মূল্যবোধ’ প্রচারে জোর দিচ্ছে এবং পরিবারগুলোকে আরও সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহ দিচ্ছে। সরকার সমলিঙ্গ সম্পর্কের প্রচার নিষিদ্ধ করেছে এবং এলজিবিটি আন্দোলনকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, এসব দেশ অন্যদের ওপর নিজেদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি তিনি পশ্চিমা নেতাদের মাথা ঠান্ডা করে আরামে ঘুমানোর পরামর্শও দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সোচিতে রুশ থিংক ট্যাংক ভলদাই ডিসকাশন ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভাষণ দেন পুতিন। সেখানে তিনি বলেন, যেসব রাজনৈতিক ব্যবস্থা অন্যদের ওপর জোর করে নিজেদের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেয়, সেগুলো স্থায়ী হয় না। পুতিন বলেন, ‘একসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ভুল করেছিল নিজেদের ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়ে। এখন সেই কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই পথে হাঁটছে।’
রাশিয়া নাকি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রে হামলা চালাবে—ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা বারবার এমন দাবি করছেন। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘অর্থহীন বুলি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব নেতার উচিত হবে শান্ত হওয়া।
পুতিন বলেন, এ ধরনের ধারণা ‘অকল্পনীয়’। তাঁর মতে, ইইউ নেতারা যদি সত্যিই এটা বিশ্বাস করেন, তবে তাঁরা অযোগ্য। আর যদি বিশ্বাস না করেন, তবুও নাগরিকদের তা বোঝাতে চান, তবে তাঁরা অসৎ। পুতিন বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই—মাথা ঠান্ডা করুন, আরামে ঘুমান কিংবা নিজেদের সমস্যার দিকে মনোযোগ দিন।’
ইইউভুক্ত কয়েকটি দেশ, বিশেষ করে পোল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ইউক্রেনে রাশিয়া জয়ী হলে তারা ন্যাটো বা ইইউ সদস্য দেশগুলোর ওপর হামলা চালাতে পারে। রুশ কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এ ধরনের ভীতি ছড়িয়ে এসব দেশ রাশিয়ার আগ্রাসনের অজুহাতে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে।
এ সময় পুতিন পশ্চিম ইউরোপে চলমান সামাজিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, অনেক মানুষ সেখানে শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ‘জেন্ডার সন্ত্রাসে’ বিরক্ত হয়ে রাশিয়ায় চলে আসছে। পুতিনের ভাষায়, এই মানুষগুলো রাজনৈতিক কারণে নয়, মূলত মূল্যবোধের কারণে রাশিয়ায় আসছে। বিশেষ করে বড় বড় ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে অনেকে পাড়ি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘শিশুদের বিরুদ্ধে জেন্ডার সন্ত্রাস অনেকেরই পছন্দ নয়। তাই তারা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে, আমাদের দেশে আসছে। ঈশ্বর চাহে তো, আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’ পুতিন এখানে ইঙ্গিত করেন পশ্চিমা দেশগুলোর স্কুলে অপ্রচলিত লিঙ্গ পরিচয় প্রচার, ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সমর্থন আর যৌন পরিচয় পরিবর্তনের মতো নীতির প্রতি।
এ ছাড়া চলতি বছর একটি প্রেসিডেন্ট ডিক্রিতে বলা হয়েছে, যেসব নাগরিক ৪৭টি ‘অবন্ধুসুলভ’ দেশে বসবাস করছে এবং নিজ দেশের মতাদর্শিক নীতি মেনে নিতে পারছে না, তারা সহজ প্রক্রিয়ায় রাশিয়ায় অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে পারবে।
রাশিয়া এখন ‘প্রচলিত মূল্যবোধ’ প্রচারে জোর দিচ্ছে এবং পরিবারগুলোকে আরও সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহ দিচ্ছে। সরকার সমলিঙ্গ সম্পর্কের প্রচার নিষিদ্ধ করেছে এবং এলজিবিটি আন্দোলনকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
৪ ঘণ্টা আগে