
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর জন্য ৯০ টন গোলাবারুদ ও জ্যাভলিন মিসাইল সিস্টেমসহ সামরিক সহায়তা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, আরও কিছু সামরিক রসদ নিয়ে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট ইউক্রেনে পৌঁছেছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ফ্লাইটগুলো ইউক্রেনে পৌঁছায়। সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সিএনএনের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর দেশে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো মিত্ররা এরই মধ্যে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা হিসেবে বেশ কয়েকটি সারফেস টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে।
ইউক্রেনের পাঠানো এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কিছুটা কম। ইউক্রেনে পূর্বে সরবরাহ করা কাঁধে বহনযোগ্য স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা আরও বেশি।
একজন মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে—সোভিয়েত আমলের এসএ-৮, এসএ-১০, এসএ-১২, এসএ-১৪ ‘মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’।
তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো থেকে এ সিস্টেমগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। অস্ত্রের চালানটি পথে আছে।’

ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর জন্য ৯০ টন গোলাবারুদ ও জ্যাভলিন মিসাইল সিস্টেমসহ সামরিক সহায়তা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, আরও কিছু সামরিক রসদ নিয়ে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট ইউক্রেনে পৌঁছেছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ফ্লাইটগুলো ইউক্রেনে পৌঁছায়। সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সিএনএনের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর দেশে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো মিত্ররা এরই মধ্যে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা হিসেবে বেশ কয়েকটি সারফেস টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে।
ইউক্রেনের পাঠানো এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কিছুটা কম। ইউক্রেনে পূর্বে সরবরাহ করা কাঁধে বহনযোগ্য স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা আরও বেশি।
একজন মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে—সোভিয়েত আমলের এসএ-৮, এসএ-১০, এসএ-১২, এসএ-১৪ ‘মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’।
তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো থেকে এ সিস্টেমগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। অস্ত্রের চালানটি পথে আছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে