
জোরপূর্বক রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া ইউক্রেনের অন্তত ৩১ শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৮ এপ্রিল) দাতব্য সংস্থা ‘সেভ ইউক্রেন’ শিশুদের ফিরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হয়।
সেভ ইউক্রেন জানিয়েছে, ফিরে আসা শিশুদের ইউক্রেনে রুশ অধিকৃত অঞ্চল থেকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিয়েভের দাবি, প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার শিশুকে জোর করে রাশিয়া বা রুশনিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কাজেই ৩১ শিশুর ফিরে আসা ছোট্ট একটি ঘটনা।
তবে কিয়েভের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তাজনিত কারণে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল শিশুদের। যুদ্ধের কঠিন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতেই যুদ্ধপ্রবণ এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয় তাদের।
রুশনিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়া থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এসব শিশুকে। যুদ্ধের কারণে পথ বন্ধ থাকায় পোল্যান্ড ও বেলারুশ হয়ে ক্রিমিয়া সীমান্তে যান অভিভাবকেরা। সেখানে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশের।
সেভ ইউক্রেনের প্রকাশ করা ভিডিও থেকে দেখা যায়, শিশুরা ব্যাগ ও সুটকেস নিয়ে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে এবং পরে সেখান থেকে একটি বাসে করে ফিরিয়ে আনা হয় তাদের।
সেভ ইউক্রেনের প্রতিষ্ঠাতা মাইকোলা কুলেবা বলেন, ‘আমাদের পঞ্চম দফায় উদ্ধার অভিযান প্রায় শেষের দিকে। আমরা বেশ কয়েকজন শিশুকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। তবে নানা জটিলতার কারণে বেশ কঠিন ছিল এই অভিযান।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত কয়েক হাজার বেসামরিক নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক শিশুও রয়েছে।

জোরপূর্বক রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া ইউক্রেনের অন্তত ৩১ শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৮ এপ্রিল) দাতব্য সংস্থা ‘সেভ ইউক্রেন’ শিশুদের ফিরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হয়।
সেভ ইউক্রেন জানিয়েছে, ফিরে আসা শিশুদের ইউক্রেনে রুশ অধিকৃত অঞ্চল থেকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিয়েভের দাবি, প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার শিশুকে জোর করে রাশিয়া বা রুশনিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কাজেই ৩১ শিশুর ফিরে আসা ছোট্ট একটি ঘটনা।
তবে কিয়েভের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তাজনিত কারণে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল শিশুদের। যুদ্ধের কঠিন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতেই যুদ্ধপ্রবণ এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয় তাদের।
রুশনিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়া থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এসব শিশুকে। যুদ্ধের কারণে পথ বন্ধ থাকায় পোল্যান্ড ও বেলারুশ হয়ে ক্রিমিয়া সীমান্তে যান অভিভাবকেরা। সেখানে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশের।
সেভ ইউক্রেনের প্রকাশ করা ভিডিও থেকে দেখা যায়, শিশুরা ব্যাগ ও সুটকেস নিয়ে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে এবং পরে সেখান থেকে একটি বাসে করে ফিরিয়ে আনা হয় তাদের।
সেভ ইউক্রেনের প্রতিষ্ঠাতা মাইকোলা কুলেবা বলেন, ‘আমাদের পঞ্চম দফায় উদ্ধার অভিযান প্রায় শেষের দিকে। আমরা বেশ কয়েকজন শিশুকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। তবে নানা জটিলতার কারণে বেশ কঠিন ছিল এই অভিযান।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত কয়েক হাজার বেসামরিক নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক শিশুও রয়েছে।

২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১৭ মিনিট আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
৩ ঘণ্টা আগে