ঢাকা: তিউনিসিয়ায় ভূমধ্যসাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৭৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুজনের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়।
তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটির নৌবাহিনী ভূমধ্যসাগর থেকে ১৭৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে। ওই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন।
তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বাংলাদেশ, তিউনিসিয়া, সিরিয়া, মিশর, নাইজেরিয়া, মালি ও ইথিওপিয়ার নাগরিক। তাঁরা লিবিয়ার জুয়ার বন্দর থেকে শুক্র অথবা শনিবার রাতে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রলায়ের মুখপাত্র মোহামেদ জেকরি বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাটি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগর থেকে ২৬৭ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়। যাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন বাংলাদেশি। এর আগে গত ১৭ মে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে তিউনিসিয়ার জলসীমায় নৌকাডুবির ঘটনায় ৮১ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৬৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করে দেশটির নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জন বাংলাদেশি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার সময় অন্তত ৭৬০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে