
লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিস যাওয়ার পথে নেভিগেশন ব্যবস্থা ও জ্বালানি সংকটে দিকভ্রষ্ট হয়ে প্রায় ১০ দিন সাগরে ভাসতে হয়েছে ৪২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে। তীব্র গরম, প্রচণ্ড রোদ, খাবার ও পানির সংকটে এ সময় ৯ বাংলাদেশি ও এক সুদানিসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূল থেকে জীবিত উদ্ধার...

ইউরোপের উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমানোর পথে লিবিয়া উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি কাষ্ঠখণ্ডে পরিণত হওয়া নৌকা ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। গত শনিবারের এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুইজনের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্বপ্নের ইউরোপের আশায় লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে মারা যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশী সুনামগঞ্জের তরুণের সংখ্যা আরও বাড়ছে। এবার জানা গেল এই জেলার ১০ জন নয়, ১২ তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে ছয় দিন ভেসে থাকা রাবার বোট থেকে প্রাণে বেঁচে গ্রিস উপকূলে পৌঁছেছেন কিশোরগঞ্জের আবদুল কাদির। সাগর উপকূলের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠেন কাদির। তিনি জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের পশ্চিম সাভিয়ানগর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।