
রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত এক টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করেছেন এক সাংবাদিক। গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চ্যানেল ওয়ানের এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সাংবাদিকের নাম মেরিনা ওভসায়ানিকোভা। তিনি চ্যানেল ওয়ানের একজন সম্পাদক। সন্ধ্যায় যখন একটি সংবাদ অনুষ্ঠান চলছিল, তখন মেরিনা ওভসায়ানিকোভা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে উপস্থাপিকার পেছনে দাঁড়িয়ে যান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুদ্ধ নয়, লড়াই বন্ধ করো, প্রচারণায় বিশ্বাস করবেন না, তারা এখানে আপনাদের মিথ্যা বলছে।’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত রোববার রাতে অন্য একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এই সাংবাদিক বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়া যা করছে সেটা ‘অপরাধ’। ক্রেমলিনের হয়ে তাঁকে যে প্রচারণায় অংশ নিতে হচ্ছে, এ জন্য তিনি লজ্জিত।
মেরিনা ওভসায়ানিকোভা বলেছেন, ‘আমি লজ্জিত যে আমি টেলিভিশনের পর্দায় মিথ্যা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার খুবই লজ্জা হয় যে, আমরা রুশদের জম্বিতে পরিণত হতে দিয়েছি।’
রুশ জনগণকে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মেরিনা বলেন, একমাত্র জনগণই পারে এই ‘পাগলামি’ থামাতে।
বিবিসি লিখেছে, মেরিনা ওভসায়ানিকোভার পরিচয় জানার পর থেকে অনেক মানুষ তাঁর ফেসবুক পেজে অভিনন্দন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রুশ গণমাধ্যমের সংবাদ অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরেই ক্রেমলিন নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। সংবাদনির্ভর চ্যানেলের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে একজন রুশ সাংবাদিক ভীষণ সাহসিকতার পরিচয় দিলেন। এ ঘটনার পর রুশ পুলিশ তাঁকে আটক করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত এক টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করেছেন এক সাংবাদিক। গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চ্যানেল ওয়ানের এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সাংবাদিকের নাম মেরিনা ওভসায়ানিকোভা। তিনি চ্যানেল ওয়ানের একজন সম্পাদক। সন্ধ্যায় যখন একটি সংবাদ অনুষ্ঠান চলছিল, তখন মেরিনা ওভসায়ানিকোভা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে উপস্থাপিকার পেছনে দাঁড়িয়ে যান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুদ্ধ নয়, লড়াই বন্ধ করো, প্রচারণায় বিশ্বাস করবেন না, তারা এখানে আপনাদের মিথ্যা বলছে।’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত রোববার রাতে অন্য একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এই সাংবাদিক বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়া যা করছে সেটা ‘অপরাধ’। ক্রেমলিনের হয়ে তাঁকে যে প্রচারণায় অংশ নিতে হচ্ছে, এ জন্য তিনি লজ্জিত।
মেরিনা ওভসায়ানিকোভা বলেছেন, ‘আমি লজ্জিত যে আমি টেলিভিশনের পর্দায় মিথ্যা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার খুবই লজ্জা হয় যে, আমরা রুশদের জম্বিতে পরিণত হতে দিয়েছি।’
রুশ জনগণকে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মেরিনা বলেন, একমাত্র জনগণই পারে এই ‘পাগলামি’ থামাতে।
বিবিসি লিখেছে, মেরিনা ওভসায়ানিকোভার পরিচয় জানার পর থেকে অনেক মানুষ তাঁর ফেসবুক পেজে অভিনন্দন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রুশ গণমাধ্যমের সংবাদ অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরেই ক্রেমলিন নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। সংবাদনির্ভর চ্যানেলের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে একজন রুশ সাংবাদিক ভীষণ সাহসিকতার পরিচয় দিলেন। এ ঘটনার পর রুশ পুলিশ তাঁকে আটক করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে