
ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি ক্ষমতায় আসলে দ্রুতই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করবেন। ট্রাম্প গত সোমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। আর তাতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যুদ্ধবিরতির পর রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনে অন্তত ২ লাখ ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী প্রয়োজন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধে এবং মার্কিন সহায়তা লাভের আশায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। ঠিক তার আগে, গতকাল মঙ্গলবার জেলেনস্কি বলেছেন, কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর রাশিয়ার নতুন আক্রমণ ঠেকাতে অন্তত ২ লাখ ইউরোপীয় শান্তিরক্ষীর প্রয়োজন হবে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বক্তব্য রাখার সময় জেলেনস্কি বলেন, ‘ট্রাম্প ইউক্রেনে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর, কিয়েভ এবং ইউরোপীয় নেতারা এখন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে ভবিষ্যতে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকানো যায়। শান্তিরক্ষী বাহিনী নিয়ে আলোচনা চলছে।’
এ সময় জেলেনস্কির কাছে জানতে চাওয়া হয়, এসব শান্তিরক্ষীরা সবাই ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসবেন কি না? জবাবে জেলেনস্কি বলেন, ‘২ লাখ, এটা একটি ন্যূনতম সংখ্যা। এটি না হলে কিছুই হবে না।’
ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুসারে, জেলেনস্কির দাবি করা এই সংখ্যা ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর আকারের সমান। ফরাসি সেনাবাহিনীর নিয়মিত সদস্য সংখ্যা ২ লাখের একটু বেশি। জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার সেনাবাহিনী ১৫ লাখ সদস্যের এবং ইউক্রেনের সেনাবাহিনী তার অর্ধেক। তাই কমপক্ষে ২ লাখ শান্তিরক্ষী প্রয়োজন হবে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য।’
এদিকে, জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভ এখন ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তারা বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারা এখন কাজ করছেন।’
অপরদিকে, রাশিয়া দাবি করেছে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার পাঁচ ভাগ কমাতে হবে। এ বিষয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেন রাশিয়ার দাবির কাছে মাথা নত করবে না, এটাই তাদের ইচ্ছে। আমরা এটা হতে দেব না।’
জেলেনস্কি তার বক্তৃতায় বলেন, ‘ইউরোপকে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক খেলোয়াড় হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যারা নিজেদের এবং অন্যের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। ইউরোপের প্রভাব ওয়াশিংটনে কম, কারণ যুক্তরাষ্ট্র মনে করে ইউরোপের পক্ষ থেকে নিরাপত্তায় সহায়তার পরিমাণ কম। কেউ কি যুক্তরাষ্ট্রে ভাবছে যে, ইউরোপ একদিন তাদের ছেড়ে দেবে, তাদের মিত্র থাকা বন্ধ করে দেবে? উত্তর হলো না।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি ক্ষমতায় আসলে দ্রুতই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করবেন। ট্রাম্প গত সোমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। আর তাতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যুদ্ধবিরতির পর রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনে অন্তত ২ লাখ ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী প্রয়োজন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধে এবং মার্কিন সহায়তা লাভের আশায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। ঠিক তার আগে, গতকাল মঙ্গলবার জেলেনস্কি বলেছেন, কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর রাশিয়ার নতুন আক্রমণ ঠেকাতে অন্তত ২ লাখ ইউরোপীয় শান্তিরক্ষীর প্রয়োজন হবে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বক্তব্য রাখার সময় জেলেনস্কি বলেন, ‘ট্রাম্প ইউক্রেনে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর, কিয়েভ এবং ইউরোপীয় নেতারা এখন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে ভবিষ্যতে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকানো যায়। শান্তিরক্ষী বাহিনী নিয়ে আলোচনা চলছে।’
এ সময় জেলেনস্কির কাছে জানতে চাওয়া হয়, এসব শান্তিরক্ষীরা সবাই ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসবেন কি না? জবাবে জেলেনস্কি বলেন, ‘২ লাখ, এটা একটি ন্যূনতম সংখ্যা। এটি না হলে কিছুই হবে না।’
ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুসারে, জেলেনস্কির দাবি করা এই সংখ্যা ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর আকারের সমান। ফরাসি সেনাবাহিনীর নিয়মিত সদস্য সংখ্যা ২ লাখের একটু বেশি। জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার সেনাবাহিনী ১৫ লাখ সদস্যের এবং ইউক্রেনের সেনাবাহিনী তার অর্ধেক। তাই কমপক্ষে ২ লাখ শান্তিরক্ষী প্রয়োজন হবে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য।’
এদিকে, জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভ এখন ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তারা বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারা এখন কাজ করছেন।’
অপরদিকে, রাশিয়া দাবি করেছে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার পাঁচ ভাগ কমাতে হবে। এ বিষয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেন রাশিয়ার দাবির কাছে মাথা নত করবে না, এটাই তাদের ইচ্ছে। আমরা এটা হতে দেব না।’
জেলেনস্কি তার বক্তৃতায় বলেন, ‘ইউরোপকে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক খেলোয়াড় হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যারা নিজেদের এবং অন্যের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। ইউরোপের প্রভাব ওয়াশিংটনে কম, কারণ যুক্তরাষ্ট্র মনে করে ইউরোপের পক্ষ থেকে নিরাপত্তায় সহায়তার পরিমাণ কম। কেউ কি যুক্তরাষ্ট্রে ভাবছে যে, ইউরোপ একদিন তাদের ছেড়ে দেবে, তাদের মিত্র থাকা বন্ধ করে দেবে? উত্তর হলো না।’

ভেনেজুয়েলায় নাটকীয় সামরিক অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের এই বিশাল দ্বীপটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ মালিকানা প্রয়োজন বলে দাবি করেছে
২০ মিনিট আগে
২০২৪ সালের পর ফের ইউক্রেনে ওরেশনিক হামলা চালাল রাশিয়া। ইউক্রেনকে আতঙ্কিত করতে এবং যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পশ্চিমাদের কাছে রাশিয়ার সামরিক শক্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘ওরেশনিক’ হাইপারসনিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকে
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে