
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমে গিয়ে পাঁচ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জানুয়ারি) উত্তর ফ্রান্স থেকে ব্রিটেনে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। মাঝপথে নৌকা ডুবে গেলে প্রাণ হারান এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরাসি মেরিন কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৪ সালে ইংলিশ চ্যানেলে এটাই প্রথম অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত্যুর ঘটনা।
পুলিশ বলছে, তাৎক্ষণিকভাবে চারজন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয় এবং পরে সমুদ্রতীরে পঞ্চম জনের লাশ খুঁজে পাওয়া গেছে। একদল অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর উইমেরু থেকে ছোট নৌকায় করে একটি জাহাজে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে নৌকাটি ডুবে যায়।
ফরাসি উদ্ধারকারী জাহাজ অ্যাবিয়েল নরমান্ডির ক্রু তাঁদের উদ্ধার করতে করতে যায় এবং পানিতে অজ্ঞান ও প্রাণহীন মানুষ ভাসতে দেখে। এই সময় পানির তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উইমেরুর তীরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জুতা ও পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন এএফপির সাংবাদিকেরা।
যারা বেঁচে ফিরেছেন তাঁদের ফ্রান্সের ক্যালে শহরে আশ্রয় শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁরা কোন দেশের নাগরিক সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
মেরিন প্রশাসনের মতে, অন্তত ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, রাত ৩টার দিকে প্রায় ৭০ জনের মতো অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে কারও কারও সন্তানসহ পুরো পরিবারও ছিল। অনেকে ছিল অনেক কম বয়সী।
সূত্র আরও বলেন, ‘বেঁচে ফেরা অনেকে এখানে আর থাকেনি। তারা আমাদের বলেন, তাঁরা ডানকার্ক রেল স্টেশনে যেতে চান। সেখান থেকে আরমেনতিয়েরে আবাসন কেন্দ্রে যাবেন তাঁরা।’
ফ্রান্সের পুলিশ এ ঘটনায় হত্যার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত থেকেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। ডুবে যাওয়ার কারণে বা থার্মাল শকের (তীব্র ঠান্ডা) কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ফ্রান্সের পৌর সংগঠন সালাম অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান জ্যঁ ক্লদ লেনোয়া বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এমন আবহাওয়ায় পানিতে বড় জাহাজে ওঠার চেষ্টা করে বিরাট ঝুঁকি নিয়েছিল। যে কোনো মূল্যে জাহাজে উঠতে গিয়ে তারা হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়।
২০২৩ সালে ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের মেরিন প্রশাসন।

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমে গিয়ে পাঁচ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জানুয়ারি) উত্তর ফ্রান্স থেকে ব্রিটেনে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। মাঝপথে নৌকা ডুবে গেলে প্রাণ হারান এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরাসি মেরিন কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৪ সালে ইংলিশ চ্যানেলে এটাই প্রথম অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত্যুর ঘটনা।
পুলিশ বলছে, তাৎক্ষণিকভাবে চারজন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয় এবং পরে সমুদ্রতীরে পঞ্চম জনের লাশ খুঁজে পাওয়া গেছে। একদল অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর উইমেরু থেকে ছোট নৌকায় করে একটি জাহাজে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে নৌকাটি ডুবে যায়।
ফরাসি উদ্ধারকারী জাহাজ অ্যাবিয়েল নরমান্ডির ক্রু তাঁদের উদ্ধার করতে করতে যায় এবং পানিতে অজ্ঞান ও প্রাণহীন মানুষ ভাসতে দেখে। এই সময় পানির তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উইমেরুর তীরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জুতা ও পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন এএফপির সাংবাদিকেরা।
যারা বেঁচে ফিরেছেন তাঁদের ফ্রান্সের ক্যালে শহরে আশ্রয় শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁরা কোন দেশের নাগরিক সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
মেরিন প্রশাসনের মতে, অন্তত ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, রাত ৩টার দিকে প্রায় ৭০ জনের মতো অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে কারও কারও সন্তানসহ পুরো পরিবারও ছিল। অনেকে ছিল অনেক কম বয়সী।
সূত্র আরও বলেন, ‘বেঁচে ফেরা অনেকে এখানে আর থাকেনি। তারা আমাদের বলেন, তাঁরা ডানকার্ক রেল স্টেশনে যেতে চান। সেখান থেকে আরমেনতিয়েরে আবাসন কেন্দ্রে যাবেন তাঁরা।’
ফ্রান্সের পুলিশ এ ঘটনায় হত্যার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত থেকেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। ডুবে যাওয়ার কারণে বা থার্মাল শকের (তীব্র ঠান্ডা) কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ফ্রান্সের পৌর সংগঠন সালাম অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান জ্যঁ ক্লদ লেনোয়া বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এমন আবহাওয়ায় পানিতে বড় জাহাজে ওঠার চেষ্টা করে বিরাট ঝুঁকি নিয়েছিল। যে কোনো মূল্যে জাহাজে উঠতে গিয়ে তারা হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়।
২০২৩ সালে ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের মেরিন প্রশাসন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে