
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার 'এইউকেইউএস' চুক্তি নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছেই। এই চুক্তির জেরে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করেছেন। আজ সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবেই নিয়েছেন ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। অন্যদিকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এইউকেইউএস চুক্তি প্রসঙ্গে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রায়ান বলেন, এর মাধ্যমে তাদের ‘পিঠে ছুরি মারা হয়েছে।’ তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, 'এইউকেইউএস চুক্তি নিয়ে ফ্রান্সের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।'
এদিকে ফ্রান্স দাবি করেছে, সাবমেরিন চুক্তি বাতিলের আগে অস্ট্রেলিয়া কোনো আলোচনাই করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার দাবি, চুক্তিটি নিয়ে উদ্বেগের কথা কয়েক মাস ধরেই জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার ফরাসি সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, এইউকেইউএস চুক্তি প্রসঙ্গে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
এর আগে গত শুক্রবার এইউকেইউএস চুক্তির জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির কথা ঘোষণা করে। চুক্তির প্রথম উদ্যোগ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা দিতে কাজ করার কথা বলা হয়। এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের নকশা করা একটি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া। এতে বিপুল পরিমাণে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে ফ্রান্স। ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার মূল্যের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার জন্য ১২টি সাবমেরিন নির্মাণ করার কথা ছিল ফ্রান্সের।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার 'এইউকেইউএস' চুক্তি নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছেই। এই চুক্তির জেরে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করেছেন। আজ সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবেই নিয়েছেন ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। অন্যদিকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এইউকেইউএস চুক্তি প্রসঙ্গে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রায়ান বলেন, এর মাধ্যমে তাদের ‘পিঠে ছুরি মারা হয়েছে।’ তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, 'এইউকেইউএস চুক্তি নিয়ে ফ্রান্সের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।'
এদিকে ফ্রান্স দাবি করেছে, সাবমেরিন চুক্তি বাতিলের আগে অস্ট্রেলিয়া কোনো আলোচনাই করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার দাবি, চুক্তিটি নিয়ে উদ্বেগের কথা কয়েক মাস ধরেই জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার ফরাসি সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, এইউকেইউএস চুক্তি প্রসঙ্গে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
এর আগে গত শুক্রবার এইউকেইউএস চুক্তির জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির কথা ঘোষণা করে। চুক্তির প্রথম উদ্যোগ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা দিতে কাজ করার কথা বলা হয়। এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের নকশা করা একটি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া। এতে বিপুল পরিমাণে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে ফ্রান্স। ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার মূল্যের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার জন্য ১২টি সাবমেরিন নির্মাণ করার কথা ছিল ফ্রান্সের।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৮ ঘণ্টা আগে