
সৌদি আরবের রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিকেরা। ভাঙা সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতেই এই বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠকে এটি। এ কারণে কোনো পক্ষই আশা করছে না যে, এতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হবে। তবে প্রাথমিক আলোচনা হিসেবে এটি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।
রাশিয়া অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অর্থনৈতিক কিছু ইস্যুতে সমঝোতার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার একজন কর্মকর্তা আজ মঙ্গলবার রিয়াদে বলেছেন, রাশিয়া আগামী কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির আশা করছে। মস্কোতে আশা জেগেছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন আক্রমণের কারণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিতে পারেন।
রাশিয়ান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে অর্থনৈতিক আলোচনায় রাশিয়ার প্রধান আলোচক কিরিল দিমিত্রিভ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, ‘আমাদের কিছু প্রস্তাব রয়েছে, যা আমাদের সহকর্মীরা বিবেচনা করছেন। আমি মনে করি, আগামী দু–তিন মাসের মধ্যে সম্ভবত অগ্রগতি হবে।’
তবে, ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যকার এই আলোচনা নিয়ে ইউক্রেন এবং ইউরোপ বেশ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেমলিনের দিকে নমনীয় মনোভাব প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বেগটা বেড়েছে।
রিয়াদে সাংবাদিকেরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কূটনীতিকদের মধ্যে বৈঠকটি আজ সকালে সৌদি রাজধানীর দিরিয়াহ প্রাসাদে শুরু হয়েছে।
বৈঠক নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রিয়াদের আলোচনায় কিয়েভকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
গতকাল সোমবার ইউরোপীয় নেতারা প্যারিসে জরুরি বৈঠকে মিলিত হন, যেখানে নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতিও এই আলোচনার এজেন্ডায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প ইউক্রেনের তিন বছরের সংঘাতের দ্রুত সমাধান চাচ্ছেন, অন্যদিকে রাশিয়া এই সুযোগটিকে ছাড় আদায়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যাচ্ছে, জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ রিয়াদের আলোচনা সম্পর্কে ‘কিছুই জানত না’ এবং ‘আমাদের ছাড়া আমাদের সম্পর্কে কোনো বিষয় বা চুক্তি আমরা স্বীকৃতি দিতে পারি না।’
জেলেনস্কি সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, যেকোনো শান্তি চুক্তিতে ‘দৃঢ় এবং নির্ভরযোগ্য’ নিরাপত্তা গ্যারান্টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যা ফ্রান্স এবং ব্রিটেন দাবি করেছে।
তবে সব ইউরোপীয় শক্তি এটি সমর্থন করে না।
এদিকে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন ইউক্রেনে ‘শান্তির প্রচেষ্টা’কে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘একই সময়ে, আমরা আশা করি, সব পক্ষ এবং অংশীজনরা আলোচনায় অংশ নেবে।’
বৈঠকের আগে রাশিয়া বলেছে, পুতিন এবং ট্রাম্প ‘অস্বাভাবিক সম্পর্ক’ থেকে বেরিয়ে আসতে চান। তাঁরা মনে করেন না, ইউরোপীয়দের আলোচনার টেবিলে কোনো স্থান রয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং পুতিনের শীর্ষ সহকারী ইউরি উশাকভ, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ এবং মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সৌদি আরবের রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিকেরা। ভাঙা সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতেই এই বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠকে এটি। এ কারণে কোনো পক্ষই আশা করছে না যে, এতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হবে। তবে প্রাথমিক আলোচনা হিসেবে এটি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।
রাশিয়া অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অর্থনৈতিক কিছু ইস্যুতে সমঝোতার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার একজন কর্মকর্তা আজ মঙ্গলবার রিয়াদে বলেছেন, রাশিয়া আগামী কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির আশা করছে। মস্কোতে আশা জেগেছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন আক্রমণের কারণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিতে পারেন।
রাশিয়ান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে অর্থনৈতিক আলোচনায় রাশিয়ার প্রধান আলোচক কিরিল দিমিত্রিভ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, ‘আমাদের কিছু প্রস্তাব রয়েছে, যা আমাদের সহকর্মীরা বিবেচনা করছেন। আমি মনে করি, আগামী দু–তিন মাসের মধ্যে সম্ভবত অগ্রগতি হবে।’
তবে, ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যকার এই আলোচনা নিয়ে ইউক্রেন এবং ইউরোপ বেশ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেমলিনের দিকে নমনীয় মনোভাব প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বেগটা বেড়েছে।
রিয়াদে সাংবাদিকেরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কূটনীতিকদের মধ্যে বৈঠকটি আজ সকালে সৌদি রাজধানীর দিরিয়াহ প্রাসাদে শুরু হয়েছে।
বৈঠক নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রিয়াদের আলোচনায় কিয়েভকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
গতকাল সোমবার ইউরোপীয় নেতারা প্যারিসে জরুরি বৈঠকে মিলিত হন, যেখানে নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতিও এই আলোচনার এজেন্ডায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প ইউক্রেনের তিন বছরের সংঘাতের দ্রুত সমাধান চাচ্ছেন, অন্যদিকে রাশিয়া এই সুযোগটিকে ছাড় আদায়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যাচ্ছে, জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ রিয়াদের আলোচনা সম্পর্কে ‘কিছুই জানত না’ এবং ‘আমাদের ছাড়া আমাদের সম্পর্কে কোনো বিষয় বা চুক্তি আমরা স্বীকৃতি দিতে পারি না।’
জেলেনস্কি সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, যেকোনো শান্তি চুক্তিতে ‘দৃঢ় এবং নির্ভরযোগ্য’ নিরাপত্তা গ্যারান্টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যা ফ্রান্স এবং ব্রিটেন দাবি করেছে।
তবে সব ইউরোপীয় শক্তি এটি সমর্থন করে না।
এদিকে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন ইউক্রেনে ‘শান্তির প্রচেষ্টা’কে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘একই সময়ে, আমরা আশা করি, সব পক্ষ এবং অংশীজনরা আলোচনায় অংশ নেবে।’
বৈঠকের আগে রাশিয়া বলেছে, পুতিন এবং ট্রাম্প ‘অস্বাভাবিক সম্পর্ক’ থেকে বেরিয়ে আসতে চান। তাঁরা মনে করেন না, ইউরোপীয়দের আলোচনার টেবিলে কোনো স্থান রয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং পুতিনের শীর্ষ সহকারী ইউরি উশাকভ, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ এবং মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২৬ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
১ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে