চলমান যুদ্ধ শেষ করতে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার আশা এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাশিয়া সফররত জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন এমনটি জানান।
বৈঠকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে পুতিন বলেন, ‘সামরিক অভিযান চলমান থাকা সত্ত্বেও, এখনো আশা করি যে আমরা কূটনৈতিক পথে চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হব। আমরা আলোচনা করছি, আমরা এটি প্রত্যাখ্যান করি না।’
পুতিনের দাবি, বুচা শহরে রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে নৃশংসতার অভিযোগ ওঠার পর শান্তি আলোচনা গতি হারিয়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বুচায় একটি উসকানি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর কিছুই করার ছিল না। আমরা জানি কে এই উসকানি দিয়েছে, কী উপায়ে এবং কী ধরনের লোকেরা এর পেছনে কাজ করেছে।’
পুতিন গুতেরেসকে জানান, তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান সম্পর্কে জাতিসংঘের উদ্বেগ সম্পর্কে অবগত। এটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত তিনি। ২০১৪ সালে রাষ্ট্রবিরোধী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইউক্রেন থেকে রুশপন্থী প্রেসিডেন্টকে সরানোর কারণে এই অশান্তি হচ্ছ বলে জানান রুশ প্রেসিডেন্ট।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতিসংঘের মহাসচিব। সেই বৈঠকে ইউক্রেন নিয়ে ‘খোলাখুলি’ আলোচনা হয়েছে বলে জানান গুতেরেস।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রায় প্রতিদিনের হুমকির মুখে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। এই পরিস্থিতিতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নন এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
৪২ মিনিট আগে
গাজায় নতুন পুলিশ বাহিনী গঠনে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও মাদক চক্রের সদস্যদের নিয়োগ দিতে চায় হোয়াইট হাউস—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ। একাধিক পশ্চিমা কর্মকর্তার বরাতে টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন একটি নতুন নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি যেন এক ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আবহাওয়াবিদেরা সতর্ক করেছেন—এবারের তুষারঝড় কোনো শীতকালীন সাধারণ দুর্যোগ নয়; এটি হতে পারে এই শহরের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ‘ব্লকবাস্টার ব্লিজার্ড’।
২ ঘণ্টা আগে
গুতেরেস বলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে গণমানুষের দুর্ভোগকে অজুহাত দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে, মানুষকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইনকে একটি নিছক অসুবিধা বা বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।’ তাঁর মতে, মানবাধিকারের এই পশ্চাদপসরণ পরিকল্পিত এবং কৌশলগত।
২ ঘণ্টা আগে