
ফিনল্যান্ড নিজ ভূখণ্ডে ন্যাটোর কোনো ঘাঁটি স্থাপন করতে দেবে না। একই সঙ্গে, কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রও মোতায়েন করতেও দেবে না দেশটি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইতালির একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে দেনদরবারের সঙ্গে জড়িত নয়। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির সঙ্গে সাক্ষাতের পর মারিন এই সাক্ষাৎকার দেন।
সানা মারিন বলেন, ‘ফিনল্যান্ডে পারমাণবিক অস্ত্র বা ন্যাটো ঘাঁটি স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। আমি মনে করি না যে—ফিনল্যান্ডে ন্যাটোর পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন কিংবা ন্যাটোর ঘাঁটি স্থাপনের কোনো সুযোগ রয়েছে।’
এদিকে, সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনও প্রায় একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দেশ স্থায়ীভাবে কোনো ন্যাটো ঘাঁটি চায় না। এমনকি দেশটিতে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনেরও সুযোগ নেই।
তবে, গত বুধবার ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগ দিতে আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি আরেক দেশ সুইডেনও আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছে। এই আবেদনের মাধ্যমে দেশ দুটি তাদের দীর্ঘ দিনের সামরিক নিরপেক্ষতা ত্যাগ করেছে।
এদিকে, ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সতর্ক করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিলে ‘বড় ভুল’ করবে ফিনল্যান্ড। এতে ফিনল্যান্ডের নিরপেক্ষ অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
রাশিয়ার সঙ্গে ফিনল্যান্ডের ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত রাশিয়ার প্রতিবেশী এ দেশ ন্যাটোর বাইরে রয়েছে। তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর প্রেক্ষাপট পাল্টেছে। দেশটি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে। এরপর থেকে পুতিন সরাসরি প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি না দিলেও রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইতিমধ্যে ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে মস্কো। মস্কোর এমন সিদ্ধান্তকে প্রতিশোধের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

ফিনল্যান্ড নিজ ভূখণ্ডে ন্যাটোর কোনো ঘাঁটি স্থাপন করতে দেবে না। একই সঙ্গে, কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রও মোতায়েন করতেও দেবে না দেশটি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইতালির একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে দেনদরবারের সঙ্গে জড়িত নয়। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির সঙ্গে সাক্ষাতের পর মারিন এই সাক্ষাৎকার দেন।
সানা মারিন বলেন, ‘ফিনল্যান্ডে পারমাণবিক অস্ত্র বা ন্যাটো ঘাঁটি স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। আমি মনে করি না যে—ফিনল্যান্ডে ন্যাটোর পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন কিংবা ন্যাটোর ঘাঁটি স্থাপনের কোনো সুযোগ রয়েছে।’
এদিকে, সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনও প্রায় একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দেশ স্থায়ীভাবে কোনো ন্যাটো ঘাঁটি চায় না। এমনকি দেশটিতে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনেরও সুযোগ নেই।
তবে, গত বুধবার ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগ দিতে আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি আরেক দেশ সুইডেনও আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছে। এই আবেদনের মাধ্যমে দেশ দুটি তাদের দীর্ঘ দিনের সামরিক নিরপেক্ষতা ত্যাগ করেছে।
এদিকে, ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সতর্ক করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিলে ‘বড় ভুল’ করবে ফিনল্যান্ড। এতে ফিনল্যান্ডের নিরপেক্ষ অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
রাশিয়ার সঙ্গে ফিনল্যান্ডের ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত রাশিয়ার প্রতিবেশী এ দেশ ন্যাটোর বাইরে রয়েছে। তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর প্রেক্ষাপট পাল্টেছে। দেশটি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে। এরপর থেকে পুতিন সরাসরি প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি না দিলেও রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইতিমধ্যে ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে মস্কো। মস্কোর এমন সিদ্ধান্তকে প্রতিশোধের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
২৬ মিনিট আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে