
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, নিরপেক্ষ ইউক্রেন রাশিয়ার মৌলিক চাওয়া। ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্য হওয়া রাশিয়ার অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এই হুমকি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। গতকাল শুক্রবার রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটে যোগ দেওয়া আফ্রিকান নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে পুতিন বলেন, ১৯৯০ সালে যে ঘোষণার মাধ্যমে সোভিয়েত ইউক্রেনকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে, তাতে স্পষ্ট লেখা ছিল ইউক্রেন ‘স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশ’ হওয়ার চেষ্টা করবে।
পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা আমাদের কাছে মৌলিক গুরুত্ব বহন করে। তাই কেন পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে ন্যাটোতে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তা আমাদের কাছে স্পষ্ট। কিন্তু তাদের এই প্রচেষ্টা আমাদের নিরাপত্তার জন্য একটি মৌলিক হুমকি উত্থাপন করেছে। ফলে আমরা আমাদের সীমান্তের কাছে এমন কোনো জোটের সামরিক অবকাঠামোকে মেনে নেব না, যারা ঐতিহাসিকভাবে আমাদের প্রতি বিরূপ।’
এদিকে, আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের কাছে পাওনা প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছে রাশিয়ার সরকার। তার আগে, আফ্রিকা মহাদেশের ছয়টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয় রাশিয়া।
রাশিয়ার সঙ্গে আফ্রিকার বাণিজ্যের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ‘আফ্রিকার দেশগুলোর কাছে পাওনা মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ঋণ রাশিয়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া অতীতে যে উদ্দেশ্যে ঋণ দেওয়া হয়েছিল সেই একই উদ্দেশ্যে আরও ৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে।’
অপরদিকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, মস্কো আফ্রিকা মহাদেশের ছয়টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে। আগামী তিন-চার মাসের মধ্যেই এই খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়া।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, নিরপেক্ষ ইউক্রেন রাশিয়ার মৌলিক চাওয়া। ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্য হওয়া রাশিয়ার অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এই হুমকি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। গতকাল শুক্রবার রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটে যোগ দেওয়া আফ্রিকান নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে পুতিন বলেন, ১৯৯০ সালে যে ঘোষণার মাধ্যমে সোভিয়েত ইউক্রেনকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে, তাতে স্পষ্ট লেখা ছিল ইউক্রেন ‘স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশ’ হওয়ার চেষ্টা করবে।
পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা আমাদের কাছে মৌলিক গুরুত্ব বহন করে। তাই কেন পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে ন্যাটোতে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তা আমাদের কাছে স্পষ্ট। কিন্তু তাদের এই প্রচেষ্টা আমাদের নিরাপত্তার জন্য একটি মৌলিক হুমকি উত্থাপন করেছে। ফলে আমরা আমাদের সীমান্তের কাছে এমন কোনো জোটের সামরিক অবকাঠামোকে মেনে নেব না, যারা ঐতিহাসিকভাবে আমাদের প্রতি বিরূপ।’
এদিকে, আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের কাছে পাওনা প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছে রাশিয়ার সরকার। তার আগে, আফ্রিকা মহাদেশের ছয়টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয় রাশিয়া।
রাশিয়ার সঙ্গে আফ্রিকার বাণিজ্যের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ‘আফ্রিকার দেশগুলোর কাছে পাওনা মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ঋণ রাশিয়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া অতীতে যে উদ্দেশ্যে ঋণ দেওয়া হয়েছিল সেই একই উদ্দেশ্যে আরও ৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে।’
অপরদিকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, মস্কো আফ্রিকা মহাদেশের ছয়টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে। আগামী তিন-চার মাসের মধ্যেই এই খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়া।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে