
ফিনল্যান্ডের কোস্ট গার্ড দাবি করেছে, গত এপ্রিল থেকেই বাল্টিক সাগরে তাদের স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিগন্যালে ব্যাঘাত ঘটছে। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই সাগর দিয়ে চলাচল করা ট্যাংকারগুলো রাশিয়ায় ভ্রমণ গোপন করার জন্য তাদের অবস্থানের তথ্য স্পুফ করছে।
গত সপ্তাহে ফিনল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুলু রানে বলেছেন—ফিনল্যান্ড বিশ্বাস করে, ন্যাভিগেশনে ব্যবহৃত গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম (জিএনএসএস) এবং জিপিএস সিগন্যালে ফিনল্যান্ড এবং বাল্টিক সাগরে শনাক্ত করা ঝামেলার পেছনে রয়েছে রাশিয়া।
ফিনল্যান্ডের কোস্ট গার্ড বলেছে, ফিনল্যান্ড উপসাগরে গত এপ্রিল থেকেই তারা ক্রমবর্ধমানভাবে জিএনএসএস জ্যামিং শনাক্ত করছে। এর ফলে জাহাজগুলোর পথ হারানোর মতো ঘটনা ঘটছে। এভাবে পথ হারিয়ে কোনো দ্বীপ কিংবা অগভীর পানির কাছাকাছি চলে আসার মুহূর্তে জাহাজগুলোকে সতর্ক করতে হয়েছে ফিনিশ কর্তৃপক্ষকে।
ফিনল্যান্ডের উপসাগরীয় কোস্টগার্ড কমান্ডার পেক্কা নিটিলা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমরা এটাও দেখেছি, এআইএস ডিভাইসগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং এইভাবে অবস্থানের তথ্য অনলাইন লোকেশন সিস্টেমে জাল করা হয়েছে। জাহাজের জন্য একটি ভুল অবস্থান দেখানো হয়েছে।’
রাশিয়া অবশ্য অতীতে এ ধরনের যোগাযোগ ও স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছে।
নিটিলা দাবি করেছেন—স্পুফিং একটি নতুন ঘটনা, যা সেন্ট পিটার্সবার্গের আশপাশের রুশ বন্দর পরিদর্শনকারী বিভিন্ন ট্যাংকারের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা অন্তত ১০ বার শনাক্ত করেছে ফিনিশ কোস্টগার্ড। বিষয়টির উদাহরণ দিতে গিয়ে নিটিলা বলেন, ‘যদি রাশিয়ার তেল কেনা কোনো দেশ দেখাতে না চায় যে, তারা রাশিয়া থেকে তেল কিনেছে, তাহলে বিক্রেতা কিংবা তেল বহন করা জাহাজটি স্পুফিং ব্যবহার করে দেখাতে পারে যে, জাহাজটি রাশিয়ায় সফর করেনি।’

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে