
ঝড়ঝঞ্ঝার মৌসুমে বড় ক্ষতি এড়াতে উপকূলে ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছোট নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ ছাড়া যেসব নৌযান চলাচল করবে, সেগুলোয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে এসব বিধিনিষেধ মানছে না নৌযানগুলো। এতে ট্রলারডুবির ঘটনাও ঘটছে। ঝুঁকি বাড়ছে নৌযাত্রীদের।

যাত্রাপথে তাঁরা দিক হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘ ছয় দিন খাদ্য ও পানীয় ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চরম অবসাদে ২২ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মরদেহ পাচারকারীদের নির্দেশে ভূমধ্যসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

উপকূলীয় এলাকায় জেলেরা ডিজেল-সংকটে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের বিরূপ প্রভাব পড়েছে এই অঞ্চলে। যে কারণে ঈদ আনন্দ নেই দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রঘেঁষা মৎস্য মোকামগুলোয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এই অঞ্চলের মানুষের দাবি, তাঁদের জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিনিধির হাতে দেওয়া হোক।