
উপকূলের সংকট এখন শুধু দুর্যোগের বিষয় নয়; এটি জেলে, কৃষক, মৎস্যসম্পদ, খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির প্রশ্ন। সাগরে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বোট রেজিস্ট্রেশন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং, আবহাওয়া সতর্কবার্তা, উদ্ধারকাজ এবং নিষেধাজ্ঞা সময়ে যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।

অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা ট্যাঙ্কারটিতে উঠে এটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং সেটিকে গালফ অব এডেন হয়ে সোমালিয়ার জলসীমার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের কোস্টগার্ড।

ঝড়ঝঞ্ঝার মৌসুমে বড় ক্ষতি এড়াতে উপকূলে ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছোট নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ ছাড়া যেসব নৌযান চলাচল করবে, সেগুলোয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে এসব বিধিনিষেধ মানছে না নৌযানগুলো। এতে ট্রলারডুবির ঘটনাও ঘটছে। ঝুঁকি বাড়ছে নৌযাত্রীদের।

যাত্রাপথে তাঁরা দিক হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘ ছয় দিন খাদ্য ও পানীয় ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চরম অবসাদে ২২ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মরদেহ পাচারকারীদের নির্দেশে ভূমধ্যসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।