ইউক্রেন দাবি করেছে, রাশিয়ার সৈন্যদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা এলাকায় তারা যেসব ‘নির্যাতনকেন্দ্র’ আবিষ্কার করেছে, সেখানে বন্দীদের ব্যাপক নির্যাতন করা হতো। রুশ বাহিনী বন্দীদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালাত। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইজিয়ামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাশিয়ান সেনাবাহিনীর নির্যাতনের কথা শোনান ইউক্রেনের নাগরিক মিখাইলো শিন্দে। তিনি বলেন, ‘আটকের দ্বিতীয় দিন তারা (রুশ বাহিনী) আমার হাত ভেঙে দিয়েছিল। একজন আমার হাত ধরে রেখেছিল, অন্যজন লোহার লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছিল। এভাবে প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা করে আমাকে পেটাত তারা। নির্যাতনে আমি কখনো জ্ঞান হারিয়ে ফেলতাম।’
নির্যাতনের শিকার ৬৭ বছর বয়সী শিন্দের দাবি, রুশ সেনারা একটি টর্চার সেলে তাঁকেসহ আরও অনেককেই বন্দী করে দিনের পর দিন এভাবে নির্যাতন চালিয়েছে। তিনি জানান, ইউক্রেনের সেনাদের তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ইউক্রেনের সেনারা এলাকাটি পুনরুদ্ধারে আগ পর্যন্ত শিন্দে সেখানে ১২ দিন বন্দী ছিলেন। শিন্দে জানান, কিয়েভের সেনাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল কিনা সে বিষয়ে তথ্য জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো।
শুধু ইজিয়ামে নয় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর বালাক্লিয়া এবং কুপিয়ানস্কেও এমন রুশ টর্চার সেল খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছে ইউক্রেন। দেশটির পুলিশ প্রধান জানান, রাশিয়ার দখলকৃত এলাকাগুলোতে ১০ টিরও বেশি নির্যাতন কেন্দ্রের সন্ধান মিলেছে। এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারের পর এ বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে কিয়েভ।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে