
শিক্ষার্থীদের জন্য রচিত নতুন ইতিহাস পাঠ্যবই উন্মোচন করেছে রাশিয়া। সেই বইয়ে স্থান পেয়েছে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের বিষয়টিও। এই আগ্রাসনকে ‘মস্কোর ঐতিহাসিক অভিযান’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে বইটি পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন এই ইতিহাস বইটি রাশিয়ার একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়ানো হবে জানিয়ে মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী সের্গেই ক্রাভতসভ বলেছেন, বইয়ের নতুন সংস্করণের লক্ষ্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ইউক্রেনে রুশ অভিযানের কারণগুলো তুলে ধরা। এর মধ্য রয়েছে রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা ঠেকানো, তাঁদের নিরস্ত্রীকরণ এবং নাজিবাদ নির্মুল করা।
এ সময় তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর সময় পুতিনের বিবৃত উদ্দেশ্যগুলোও পুনরাবৃত্তি করেন।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিকে ‘সঠিক বার্তা’ দিতে স্কুল পর্যায় থেকেই ইউক্রেন যুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের আঙ্গিকে ঢেলে সাজাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অধীনে স্কুলগুলোতে ঐতিহাসিক বর্ণনার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইউক্রেন আক্রমণকে মস্কোর ঐতিহাসিক মিশনের একটি অধ্যায় হিসেবে তরুণ রুশদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটিকে ‘একটি বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবেও বর্ণনা করা হচ্ছে।
ক্রাভতসভ আরও বলেন, ‘বইটি ১৯৪৫ সাল থেকে ২১ শতকের সময়কালকে তুলে ধরবে। বইটি মাত্র পাঁচ মাসের কম সময়ে লেখা হয়েছ। ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পরে এবং আমাদের বিজয়ের পরে বইটি আরও ভালোভাবে সম্পূর্ণ করব। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সকল স্কুলে পাওয়া যাবে এটি।’
ইতিহাসের বইটি ইউক্রেনকে একটি ‘কৃত্রিম রাষ্ট্র’ হিসেবেও বর্ণনা করেছে। রুশ-ইউক্রেনীয়দের ঐতিহাসিক ঐক্যের ওপর পুতিনের দীর্ঘ প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে স্বাধীনতার নামে রাশিয়ার কাছ থেকে ছিনতাই করা হয়েছে ইউক্রেনকে।
নতুন ইতিহাস বইয়ে আরও বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়ার অভ্যন্তরে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং পশ্চিমা আগ্রাসনের শিকার হিসেবে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছে মস্কো। এটি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাগুলোকে ১৮১২ সালে রাশিয়ায় নেপোলিয়নের চালানো অভিযানের চেয়েও ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুতিনের সহযোগী ও রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সমালোচিত ভ্লাদিমির মেডিনস্কি দ্রুত এই বইয়ের প্রকাশনার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘আমাদের দেশে এত কম সময়ে কোনো পাঠ্যপুস্তক তৈরি হয়নি। লেখকরা নিজ হাতে বইটি লিখেছেন। বইটি ইতিহাসের প্রতি রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গিই তুলে ধরে।’
দাম্ভিকতার সঙ্গে মেডিনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণরূপে ৭০,৮০, ৯০ এবং ২০০০ সালের পরের সময়ের ইতিহাসকে পুনঃবর্ণায়ণ করেছি। ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানসহ ২০১৪ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে।’
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা করে রাশিয়া। সেই লড়াইয়ের মীমাংসা এখনো হয়নি। কিয়েভের পাশে পশ্চিমা শক্তির দাঁড়িয়ে থাকার অভিযোগ তুলে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। ইউক্রেনকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে আমেরিকা, ন্যাটো ও ইউরোপের দেশগুলোর দিকেও আঙুল তুলছে রাশিয়া। এদিকে নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাশিয়ার হামলার জবাব দিচ্ছে ইউক্রেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন শক্তিধর দেশের সহায়তা অর্জনেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

শিক্ষার্থীদের জন্য রচিত নতুন ইতিহাস পাঠ্যবই উন্মোচন করেছে রাশিয়া। সেই বইয়ে স্থান পেয়েছে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের বিষয়টিও। এই আগ্রাসনকে ‘মস্কোর ঐতিহাসিক অভিযান’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে বইটি পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন এই ইতিহাস বইটি রাশিয়ার একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়ানো হবে জানিয়ে মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী সের্গেই ক্রাভতসভ বলেছেন, বইয়ের নতুন সংস্করণের লক্ষ্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ইউক্রেনে রুশ অভিযানের কারণগুলো তুলে ধরা। এর মধ্য রয়েছে রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা ঠেকানো, তাঁদের নিরস্ত্রীকরণ এবং নাজিবাদ নির্মুল করা।
এ সময় তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর সময় পুতিনের বিবৃত উদ্দেশ্যগুলোও পুনরাবৃত্তি করেন।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিকে ‘সঠিক বার্তা’ দিতে স্কুল পর্যায় থেকেই ইউক্রেন যুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের আঙ্গিকে ঢেলে সাজাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অধীনে স্কুলগুলোতে ঐতিহাসিক বর্ণনার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইউক্রেন আক্রমণকে মস্কোর ঐতিহাসিক মিশনের একটি অধ্যায় হিসেবে তরুণ রুশদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটিকে ‘একটি বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবেও বর্ণনা করা হচ্ছে।
ক্রাভতসভ আরও বলেন, ‘বইটি ১৯৪৫ সাল থেকে ২১ শতকের সময়কালকে তুলে ধরবে। বইটি মাত্র পাঁচ মাসের কম সময়ে লেখা হয়েছ। ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পরে এবং আমাদের বিজয়ের পরে বইটি আরও ভালোভাবে সম্পূর্ণ করব। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সকল স্কুলে পাওয়া যাবে এটি।’
ইতিহাসের বইটি ইউক্রেনকে একটি ‘কৃত্রিম রাষ্ট্র’ হিসেবেও বর্ণনা করেছে। রুশ-ইউক্রেনীয়দের ঐতিহাসিক ঐক্যের ওপর পুতিনের দীর্ঘ প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে স্বাধীনতার নামে রাশিয়ার কাছ থেকে ছিনতাই করা হয়েছে ইউক্রেনকে।
নতুন ইতিহাস বইয়ে আরও বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়ার অভ্যন্তরে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং পশ্চিমা আগ্রাসনের শিকার হিসেবে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছে মস্কো। এটি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাগুলোকে ১৮১২ সালে রাশিয়ায় নেপোলিয়নের চালানো অভিযানের চেয়েও ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুতিনের সহযোগী ও রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সমালোচিত ভ্লাদিমির মেডিনস্কি দ্রুত এই বইয়ের প্রকাশনার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘আমাদের দেশে এত কম সময়ে কোনো পাঠ্যপুস্তক তৈরি হয়নি। লেখকরা নিজ হাতে বইটি লিখেছেন। বইটি ইতিহাসের প্রতি রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গিই তুলে ধরে।’
দাম্ভিকতার সঙ্গে মেডিনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণরূপে ৭০,৮০, ৯০ এবং ২০০০ সালের পরের সময়ের ইতিহাসকে পুনঃবর্ণায়ণ করেছি। ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানসহ ২০১৪ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে।’
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা করে রাশিয়া। সেই লড়াইয়ের মীমাংসা এখনো হয়নি। কিয়েভের পাশে পশ্চিমা শক্তির দাঁড়িয়ে থাকার অভিযোগ তুলে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। ইউক্রেনকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে আমেরিকা, ন্যাটো ও ইউরোপের দেশগুলোর দিকেও আঙুল তুলছে রাশিয়া। এদিকে নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাশিয়ার হামলার জবাব দিচ্ছে ইউক্রেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন শক্তিধর দেশের সহায়তা অর্জনেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৪ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে