
দক্ষিণ ইউক্রেনে রাশিয়ার সৈন্য এবং রসদ সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতু ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। ইউক্রেন সরকারের কর্মকর্তারা খেরসন অঞ্চলে নিপার নদীর ওপরে অবস্থিত আন্তোনিভস্কি সেতুটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে নিপার নদীর ওপর অবস্থিত আন্তোনিভস্কি সেতুর কাছাকাছি বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই সেতু হয়েই রাশিয়া দক্ষিণ ইউক্রেনে সৈন্য এবং রসদ পরিবহন করে থাকে। এ ছাড়া, এটি ইউক্রেন থেকে রাশিয়া ভূখণ্ড ক্রিমিয়া প্রবেশের অন্যতম সংযোগ সেতু।
ইউক্রেন সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলের অপারেশনাল কমান্ডের মুখপাত্র নাতালিয়া হুমেনিউক ইউক্রেনের এক টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘হ্যাঁ সেতুতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এবং নির্দিষ্টভাবেই তা করা হয়েছে।’
হুমেনিউক আরও বলেন, ‘আমাদের বাহিনী শত্রুদের কৌশলগত সরঞ্জাম এবং রসদ পরিবহন রুটগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। তাই আমরা অবকাঠামো ধ্বংস করছি না; আমরা শত্রুর পরিকল্পনাকে ধ্বংস করছি।’ খেরসনের আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম উপপ্রধান ইউরি সোবোলেভস্কি বলেছেন, ‘আন্তোনিভস্কি ব্রিজটি উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এর আগে, আন্তোনিভস্কি ব্রিজটি ক্রিমিয়া থেকে খেরসনে রুশ শক্তিবৃদ্ধি ও সরবরাহকে প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার প্রয়াসে দূরপাল্লার ইউক্রেনের গোলন্দাজ বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে সময় ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তাদের লক্ষ্য হলো এই সেতু দিয়ে বেসামরিক লোক চলাচল অব্যাহত রাখা এবং যেকোনো মূল্যে রাশিয়ার সৈন্য এবং রসদ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করা।
এদিকে, রাশিয়ার সৈন্যরা সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকেই সেখানে আর কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। মস্কো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে সেতুটি দিয়ে আর চলাচল সম্ভব নয় এবং সেতুটি মেরামতে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে। যার ফলে এই অঞ্চলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রাশিয়া সৈন্য এবং রসদ পরিবহন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

দক্ষিণ ইউক্রেনে রাশিয়ার সৈন্য এবং রসদ সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতু ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। ইউক্রেন সরকারের কর্মকর্তারা খেরসন অঞ্চলে নিপার নদীর ওপরে অবস্থিত আন্তোনিভস্কি সেতুটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে নিপার নদীর ওপর অবস্থিত আন্তোনিভস্কি সেতুর কাছাকাছি বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই সেতু হয়েই রাশিয়া দক্ষিণ ইউক্রেনে সৈন্য এবং রসদ পরিবহন করে থাকে। এ ছাড়া, এটি ইউক্রেন থেকে রাশিয়া ভূখণ্ড ক্রিমিয়া প্রবেশের অন্যতম সংযোগ সেতু।
ইউক্রেন সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলের অপারেশনাল কমান্ডের মুখপাত্র নাতালিয়া হুমেনিউক ইউক্রেনের এক টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘হ্যাঁ সেতুতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এবং নির্দিষ্টভাবেই তা করা হয়েছে।’
হুমেনিউক আরও বলেন, ‘আমাদের বাহিনী শত্রুদের কৌশলগত সরঞ্জাম এবং রসদ পরিবহন রুটগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। তাই আমরা অবকাঠামো ধ্বংস করছি না; আমরা শত্রুর পরিকল্পনাকে ধ্বংস করছি।’ খেরসনের আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম উপপ্রধান ইউরি সোবোলেভস্কি বলেছেন, ‘আন্তোনিভস্কি ব্রিজটি উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এর আগে, আন্তোনিভস্কি ব্রিজটি ক্রিমিয়া থেকে খেরসনে রুশ শক্তিবৃদ্ধি ও সরবরাহকে প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার প্রয়াসে দূরপাল্লার ইউক্রেনের গোলন্দাজ বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে সময় ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তাদের লক্ষ্য হলো এই সেতু দিয়ে বেসামরিক লোক চলাচল অব্যাহত রাখা এবং যেকোনো মূল্যে রাশিয়ার সৈন্য এবং রসদ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করা।
এদিকে, রাশিয়ার সৈন্যরা সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকেই সেখানে আর কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। মস্কো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে সেতুটি দিয়ে আর চলাচল সম্ভব নয় এবং সেতুটি মেরামতে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে। যার ফলে এই অঞ্চলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রাশিয়া সৈন্য এবং রসদ পরিবহন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে