
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বিচারের মুখোমুখি করতে চায় ইউক্রেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানা যায়, যুদ্ধ শুরুর জন্য পুতিন ও তাঁর শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের বিচারের পরিকল্পনা করছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রশাসনের উপপ্রধান আন্দ্রি মিরনভের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেটি রাশিয়ার ‘আগ্রাসনের অপরাধ’ তদন্ত করবে।
‘আগ্রাসনমূলক অপরাধের’ ব্যাখ্যায় ২০১০ সালে গ্রহণ করা রোম আইনের কথা বলা হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ও টোকিও বিচারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘শান্তিবিরোধী অপরাধের’ বিষয়ে একই ধারণার কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশেষ এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘আগ্রাসন অপরাধের’ তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করা হবে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার তদন্ত করছে।
আন্দ্রি মিরনভ এএফপিকে বলেন, ‘এই আদালত ইউক্রেন যুদ্ধ যিনি শুরু করেছেন, তাঁর ও অন্য অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার একমাত্র উপায়। বিশ্ব অনেক কিছু দ্রুত ভুলে যায়। তাই আগামী বছরই এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানে, অভিযুক্তরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকবেন না। তবে ট্রাইব্যুনাল তাঁদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে কাজ করবে। তাঁরা সভ্য বিশ্বে ভ্রমণ করতে পারবেন না।’
ইউক্রেনীয় কৌঁসুলিরা আগ্রাসনের জন্য এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করেছেন। তাঁদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ রুশ সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও ভাষ্যকার রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যা সরকার কর্তৃক স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুত।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। অভিযানের নামে চলমান এই আগ্রাসনে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু শহর।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বিচারের মুখোমুখি করতে চায় ইউক্রেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানা যায়, যুদ্ধ শুরুর জন্য পুতিন ও তাঁর শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের বিচারের পরিকল্পনা করছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রশাসনের উপপ্রধান আন্দ্রি মিরনভের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেটি রাশিয়ার ‘আগ্রাসনের অপরাধ’ তদন্ত করবে।
‘আগ্রাসনমূলক অপরাধের’ ব্যাখ্যায় ২০১০ সালে গ্রহণ করা রোম আইনের কথা বলা হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ও টোকিও বিচারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘শান্তিবিরোধী অপরাধের’ বিষয়ে একই ধারণার কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশেষ এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘আগ্রাসন অপরাধের’ তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করা হবে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার তদন্ত করছে।
আন্দ্রি মিরনভ এএফপিকে বলেন, ‘এই আদালত ইউক্রেন যুদ্ধ যিনি শুরু করেছেন, তাঁর ও অন্য অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার একমাত্র উপায়। বিশ্ব অনেক কিছু দ্রুত ভুলে যায়। তাই আগামী বছরই এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানে, অভিযুক্তরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকবেন না। তবে ট্রাইব্যুনাল তাঁদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে কাজ করবে। তাঁরা সভ্য বিশ্বে ভ্রমণ করতে পারবেন না।’
ইউক্রেনীয় কৌঁসুলিরা আগ্রাসনের জন্য এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করেছেন। তাঁদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ রুশ সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও ভাষ্যকার রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যা সরকার কর্তৃক স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুত।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। অভিযানের নামে চলমান এই আগ্রাসনে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু শহর।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে