
নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর ইয়েতি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ফোনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্তের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে ভিডিওটি অস্বস্তিকর।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, ভিডিওটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, অবতরণের আগ মুহূর্ত, যাত্রীরা উড়োজাহাজের ভেতরে বসে আছেন। উড়োজাহাজের জানালা দিয়ে নিচে শহর দেখা যাচ্ছে। হঠাৎই মোবাইল ফোনের পর্দা কেঁপে ওঠে। ভিডিওর শেষ কয়েক সেকেন্ডে দেখা গেছে, জানালার বাইরে ভয়াবহ আগুন জ্বলছে। আর শোনা যাচ্ছিল যাত্রীদের কান্না-আর্তনাদ।
উড়োজাহাজটিতে পাঁচজন ভারতীয় যাত্রী ছিলেন। তাঁরা সবাই দেশটির উত্তর প্রদেশের ঘাজিপুরের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে সনু জইসওয়াল নামের একজন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। তবে সেটি জইসওয়ালেরই অ্যাকাউন্ট কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় তিনিও নিহত হয়েছেন।
নেপালের সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য অভিষেক প্রতাপ শাহ এনডিটিভির কাছে ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন। এনডিটিভিকে অভিষেক বলেন, তাঁর এক বন্ধুর কাছ থেকে তিনি ফুটেজটি পেয়েছেন। ওই বন্ধু এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ফুটেজটি পেয়েছে। ভিডিওটি সত্যিকারের বলে দাবি করেন তিনি। গতকাল উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা মুঠোফোনে ভিডিওটি পাওয়া যায়।
তবে স্বাধীনভাবে ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দরের কাছাকাছি আসার পর উড়োজাহাজটি ঘুরতে থাকে। এরপর এটি কাত হয়ে বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং আগুনের গোলা ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার সকালে নেপালের ইয়েতি এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ এটিআর-৭২ পোখারা বিমানবন্দরে নামার আগে পুরোনো বিমানবন্দর ও নতুন বিমানবন্দরের মাঝামাঝি সেতি নদীর তীরে বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে যে ৭২ জন আরোহী উড়োজাহাজে ছিলেন, তাঁদের সবারই প্রাণ যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেপালের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পোখারার দুর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।
এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর ইয়েতি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ফোনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্তের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে ভিডিওটি অস্বস্তিকর।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, ভিডিওটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, অবতরণের আগ মুহূর্ত, যাত্রীরা উড়োজাহাজের ভেতরে বসে আছেন। উড়োজাহাজের জানালা দিয়ে নিচে শহর দেখা যাচ্ছে। হঠাৎই মোবাইল ফোনের পর্দা কেঁপে ওঠে। ভিডিওর শেষ কয়েক সেকেন্ডে দেখা গেছে, জানালার বাইরে ভয়াবহ আগুন জ্বলছে। আর শোনা যাচ্ছিল যাত্রীদের কান্না-আর্তনাদ।
উড়োজাহাজটিতে পাঁচজন ভারতীয় যাত্রী ছিলেন। তাঁরা সবাই দেশটির উত্তর প্রদেশের ঘাজিপুরের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে সনু জইসওয়াল নামের একজন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। তবে সেটি জইসওয়ালেরই অ্যাকাউন্ট কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় তিনিও নিহত হয়েছেন।
নেপালের সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য অভিষেক প্রতাপ শাহ এনডিটিভির কাছে ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন। এনডিটিভিকে অভিষেক বলেন, তাঁর এক বন্ধুর কাছ থেকে তিনি ফুটেজটি পেয়েছেন। ওই বন্ধু এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ফুটেজটি পেয়েছে। ভিডিওটি সত্যিকারের বলে দাবি করেন তিনি। গতকাল উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা মুঠোফোনে ভিডিওটি পাওয়া যায়।
তবে স্বাধীনভাবে ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দরের কাছাকাছি আসার পর উড়োজাহাজটি ঘুরতে থাকে। এরপর এটি কাত হয়ে বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং আগুনের গোলা ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার সকালে নেপালের ইয়েতি এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ এটিআর-৭২ পোখারা বিমানবন্দরে নামার আগে পুরোনো বিমানবন্দর ও নতুন বিমানবন্দরের মাঝামাঝি সেতি নদীর তীরে বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে যে ৭২ জন আরোহী উড়োজাহাজে ছিলেন, তাঁদের সবারই প্রাণ যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেপালের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পোখারার দুর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।
এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে