Ajker Patrika

নেপালে জেন-জি অভ্যুত্থানের ধাক্কা: আসন্ন নির্বাচনে লড়ছেন না সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
নেপালে জেন-জি অভ্যুত্থানের ধাক্কা: আসন্ন নির্বাচনে লড়ছেন না সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ও ঝলানাথ খানাল। ছবি: সংগৃহীত

গত বছরের জেন-জি আন্দোলনের জেরে সৃষ্ট গণ-অভ্যুত্থানের প্রভাবে নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। দেশটির দুই প্রভাবশালী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ও ঝলানাথ খানাল আগামী ৫ মার্চের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

নেপালে নব্বইয়ের দশকে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর এই প্রথম দেউবা ও খানাল তাঁদের দীর্ঘদিনের পরিচিত নির্বাচনী আসনগুলো থেকে লড়ছেন না।

পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী ও নেপালি কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা শের বাহাদুর দেউবা ১৯৯১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে দাদেলধুরা আসন থেকে নির্বাচন করে আসছেন। ভারতের উত্তরাখন্ডের সীমান্তবর্তী এই এলাকা গত ৪০ বছর ধরে তাঁর অজেয় দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, দেউবা শুরুতে নির্বাচনে লড়তে চাইলেও দলের পুনর্গঠনপ্রক্রিয়ায় তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক হয়। শেষ পর্যন্ত দেউবা নিজেই ঘোষণা করেন যে, তিনি এবার ভোটে লড়বেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্তে নেপালি কংগ্রেসের ভেতরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (ইউএমএল) জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝলানাথ খানাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং সীমান্তবর্তী ইলাম আসন থেকে কয়েক দশক ধরে প্রতিনিধিত্ব করছেন। খানাল তাঁর দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছেন, তিনি তরুণ নেতাদের জায়গা করে দিতে চান।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে এক অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটে। ১৯ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। কারফিউ ভেঙে মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন এবং রাজনৈতিক নেতাদের বাসভবনে হামলা চালান।

বিক্ষোভের সময় শের বাহাদুর দেউবা ও তাঁর স্ত্রী আরজু রানা দেউবা শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হন। সে সময় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। দেউবার বাসভবনে অগ্নিসংযোগও করা হয়। এ ছাড়া ইলামে ঝলানাথ খানালের বাড়িতেও হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা।

তৎকালীন সরকারের অনেক মন্ত্রীকে নেপাল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছিল। প্রাণভয়ে অনেক রাজনৈতিক নেতা সে সময় বাড়ি ছেড়েও পালিয়েছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ: বেশির ভাগ উঠবে না সংসদে

রোজার সময় সহবাসের নিয়ম ও বিধান

অবশেষে তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থী ঘোষণা, কে তিনি

কবি মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার না পাওয়ার যে কারণ জানালেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

ফরিদগঞ্জে শৌচাগার থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত