
জাপানে সন্ত্রাসবিরোধী একটি মহড়ায় ‘সন্ত্রাসী’ চরিত্রে অভিনয় করা ব্যক্তিদের পোশাক নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অভিযোগ উঠেছে, ওই পোশাক মধ্যপ্রাচ্য বা মুসলিমদের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের প্রচলিত ও নেতিবাচক ধারণাকে দেখাচ্ছে। সমালোচনার পর মহড়ার ছবি সরিয়ে নিয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মহড়ার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিল জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছবিতে ‘সন্ত্রাসী’ চরিত্রে থাকা ব্যক্তিদের মাথায় ঐতিহ্যবাহী আরব কেফিয়েহ-এর মতো নকশাযুক্ত কাপড় দেখা যায়। একটি ছবিতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি জিম্মির মাথায় একটি ব্যাগ পরিয়ে দিচ্ছেন।
ছবিগুলো প্রকাশের পর অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, পোশাকের সঙ্গে আরব বা মুসলিম পরিচয়ের স্পষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে, যা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী বা ধর্মকে যুক্ত করার নেতিবাচক ধারণা আরও শক্তিশালী করতে পারে।
সমালোচনার মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। পরে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ত্রাসীর ভূমিকায় থাকা কর্মীদের পোশাক কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী, অঞ্চল বা ধর্মকে অনুসরণ করে তৈরি করা হয়নি। তবে এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকলে মন্ত্রণালয় দুঃখ প্রকাশ করেছে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বলেন, মহড়া নিয়ে বিভিন্ন মতামতকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। জাপানি নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
টোকিওর একটি সরকারি স্থাপনায় ওই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এটি আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রশিক্ষণকে যতটা সম্ভব বাস্তবধর্মী করার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা থেকে শিক্ষা নিয়েই এমন প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়।
২০১৬ সালের ওই হামলায় ২২ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। নিহতদের মধ্যে সাতজন ছিলেন জাপানি নাগরিক। বাংলাদেশে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলাগুলোর একটি।
জাপানে এ ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী মহড়া ২০১৮ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির নিয়ম লঙ্ঘন করলে মার্কিন নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হতে পারে। এমনকি নিয়োগদাতাদের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত বিদেশি নিয়োগ থেকে নিষিদ্ধও করা হতে পারে।
৩৩ মিনিট আগে
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখন আর শুধু শিক্ষা ও স্কুলের দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই, শুরু হয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্ক। দেশটির রাস্তায় যখন লাখো শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বিক্ষোভে নেমেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অস্থিরতার জন্য....
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকায় চলতি সপ্তাহের বাকি সময় দেশটির সব হাইস্কুলের ক্লাস স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু। গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন হাইস্কুল অবরোধ করে বিক্ষোভ করা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একই দিন দেশটির বিভিন্ন...
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোর মতো মার্কিন শহর ধ্বংস করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে নেব্রাস্কার এক সমাবেশে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের কারণে আমেরিকানদের যে আর্থিক মূল্য দিতে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে নিরাপদ....
৩ ঘণ্টা আগে