
দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সময় ভারতে মানবাধিকার ও স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্মেলন থেকে ভিয়েতনাম সফরে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তবে আলাপচারিতায় মানবাধিকার ও স্বাধীন গণমাধ্যমের ইস্যুতে মোদি কি বলেছেন তা নিয়ে বিস্তারিত বলেননি বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জানান, দিল্লিতে অবস্থানকালে মোদির সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক হয়েছে তার। সেখানে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করার আশা প্রকাশ করা হয়।
বাইডেন বলেন, ‘বরাবরের মতোই, মানবাধিকারকে সম্মান করা এবং শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুশীল সমাজ ও মুক্ত সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার গুরুত্ব নরেন্দ্র মোদির কাছে তুলে ধরেছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য সমালোচিত হচ্ছে ভারতে। ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে (টুইটার) বলেন, ‘কোনো সংবাদ সম্মেলন করব না, করতেও দেব না- এই প্রবণতার কোনো প্রভাবই দেখা গেল না।’
সমালোচকেরা বলে থাকেন, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০১৪ সালে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেশি বেড়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকার বরাবরই এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে আসছে।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার (আরএসএফ) গত মে মাসে প্রকাশ করেছে বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই সূচকে গত বছরের অবস্থান ১৬১ থেকে এ বছর আরও ১১ ধাপ পিছিয়েছে ভারত।
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতের মানবাধিকার ইস্যু ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলার জন্য জো বাইডেনসহ পশ্চিমা নেতাদের প্রতি বেশ আগে থেকেই আহ্বান জানিয়ে আসছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের উত্থান রোধ করার প্রচেষ্টায় ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে যুক্তরাষ্ট্র এসব ইস্যুতে সতর্কতা অবলম্বন করবে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো একান্ত সংবাদ সম্মেলন করেননি নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া, জি-২০ সম্মেলনে মোদি বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সময় ভারতে মানবাধিকার ও স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্মেলন থেকে ভিয়েতনাম সফরে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তবে আলাপচারিতায় মানবাধিকার ও স্বাধীন গণমাধ্যমের ইস্যুতে মোদি কি বলেছেন তা নিয়ে বিস্তারিত বলেননি বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জানান, দিল্লিতে অবস্থানকালে মোদির সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক হয়েছে তার। সেখানে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করার আশা প্রকাশ করা হয়।
বাইডেন বলেন, ‘বরাবরের মতোই, মানবাধিকারকে সম্মান করা এবং শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুশীল সমাজ ও মুক্ত সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার গুরুত্ব নরেন্দ্র মোদির কাছে তুলে ধরেছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য সমালোচিত হচ্ছে ভারতে। ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে (টুইটার) বলেন, ‘কোনো সংবাদ সম্মেলন করব না, করতেও দেব না- এই প্রবণতার কোনো প্রভাবই দেখা গেল না।’
সমালোচকেরা বলে থাকেন, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০১৪ সালে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেশি বেড়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকার বরাবরই এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে আসছে।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার (আরএসএফ) গত মে মাসে প্রকাশ করেছে বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই সূচকে গত বছরের অবস্থান ১৬১ থেকে এ বছর আরও ১১ ধাপ পিছিয়েছে ভারত।
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতের মানবাধিকার ইস্যু ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলার জন্য জো বাইডেনসহ পশ্চিমা নেতাদের প্রতি বেশ আগে থেকেই আহ্বান জানিয়ে আসছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের উত্থান রোধ করার প্রচেষ্টায় ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে যুক্তরাষ্ট্র এসব ইস্যুতে সতর্কতা অবলম্বন করবে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো একান্ত সংবাদ সম্মেলন করেননি নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া, জি-২০ সম্মেলনে মোদি বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে