আজকের পত্রিকা ডেস্ক

একসময়ের ঘনিষ্ঠ ‘বন্ধু’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় নতুন মিত্রের সন্ধানে বেরিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছেন। এবার চীন সফরে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। বিপরীতে সি চীনা ‘ড্রাগন’ ও ভারতীয় ‘হাতির’ মধ্যে বন্ধুত্বে জোর দিয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি আজ রোববার সি চিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে বলেছেন, তিনি ‘পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে’ ভারত-চীন সম্পর্ক ‘এগিয়ে নিতে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে সি’র সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মোদি আরও বলেন যে সীমান্ত ইস্যুতে দুই দেশ নতুন করে ভাবার পর ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ’ সৃষ্টি হয়েছে।
মোদি সম্মেলনে তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘গত বছর কাজানে আমাদের অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছিল, যা আমাদের সম্পর্ককে একটি ইতিবাচক দিক দিয়েছে। সীমান্তে দুই পক্ষ সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’ মোদি বলেন, ‘দুই দেশের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থ আমাদের সহযোগিতার সঙ্গে যুক্ত। এটি সম্পূর্ণ মানবতার কল্যাণের পথও প্রশস্ত করবে।’
সি চিনপিং বলেন, ভারত ও চীনের জন্য ‘বন্ধু ও ভালো প্রতিবেশী হওয়া’ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে। চীন ও ভারত দুটি সভ্যতাভিত্তিক দেশ। আমরা বিশ্বের দুই সর্বাধিক জনসংখ্যাসম্পন্ন দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের অংশ...বন্ধু হওয়া, ভালো প্রতিবেশী হওয়া এবং ড্রাগন ও হাতির যৌথভাবে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিগত সাত বছরের মধ্যে এটি মোদির প্রথম চীন সফর। এটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় পণ্যের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ এবং রাশিয়ার ক্রুড অয়েল ক্রয়ের জন্য ২৫ শতাংশ শুল্কের কারণে।
ভারত-চীন সম্পর্ক লাদাখের পূর্ব গালওয়ান উপত্যকায় ২০২০ সালের জুনে দুই দেশের সেনাদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর খারাপ হয়ে যায়। সীমান্ত সংঘর্ষ কার্যত শেষ হয় যখন ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত হওয়া চুক্তির আওতায় ডেমচোক ও ডেপসাংয়ের শেষ দুটি পয়েন্ট থেকে উভয় পক্ষ নিজেদের সরিয়ে নেওয়ায়।

একসময়ের ঘনিষ্ঠ ‘বন্ধু’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় নতুন মিত্রের সন্ধানে বেরিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছেন। এবার চীন সফরে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। বিপরীতে সি চীনা ‘ড্রাগন’ ও ভারতীয় ‘হাতির’ মধ্যে বন্ধুত্বে জোর দিয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি আজ রোববার সি চিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে বলেছেন, তিনি ‘পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে’ ভারত-চীন সম্পর্ক ‘এগিয়ে নিতে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে সি’র সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মোদি আরও বলেন যে সীমান্ত ইস্যুতে দুই দেশ নতুন করে ভাবার পর ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ’ সৃষ্টি হয়েছে।
মোদি সম্মেলনে তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘গত বছর কাজানে আমাদের অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছিল, যা আমাদের সম্পর্ককে একটি ইতিবাচক দিক দিয়েছে। সীমান্তে দুই পক্ষ সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’ মোদি বলেন, ‘দুই দেশের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থ আমাদের সহযোগিতার সঙ্গে যুক্ত। এটি সম্পূর্ণ মানবতার কল্যাণের পথও প্রশস্ত করবে।’
সি চিনপিং বলেন, ভারত ও চীনের জন্য ‘বন্ধু ও ভালো প্রতিবেশী হওয়া’ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে। চীন ও ভারত দুটি সভ্যতাভিত্তিক দেশ। আমরা বিশ্বের দুই সর্বাধিক জনসংখ্যাসম্পন্ন দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের অংশ...বন্ধু হওয়া, ভালো প্রতিবেশী হওয়া এবং ড্রাগন ও হাতির যৌথভাবে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিগত সাত বছরের মধ্যে এটি মোদির প্রথম চীন সফর। এটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় পণ্যের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ এবং রাশিয়ার ক্রুড অয়েল ক্রয়ের জন্য ২৫ শতাংশ শুল্কের কারণে।
ভারত-চীন সম্পর্ক লাদাখের পূর্ব গালওয়ান উপত্যকায় ২০২০ সালের জুনে দুই দেশের সেনাদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর খারাপ হয়ে যায়। সীমান্ত সংঘর্ষ কার্যত শেষ হয় যখন ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত হওয়া চুক্তির আওতায় ডেমচোক ও ডেপসাংয়ের শেষ দুটি পয়েন্ট থেকে উভয় পক্ষ নিজেদের সরিয়ে নেওয়ায়।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
৬ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
৮ ঘণ্টা আগে