আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রেনেসাঁ যুগের মহাবিস্ময় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সঙ্গে যুক্ত একটি শিল্পকর্মে তাঁর ডিএনএ–এর সম্ভাব্য উপস্থিতির দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার ফল হিসেবে এই আবিষ্কারকে তাঁরা ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণা একদিকে যেমন দা ভিঞ্চির পূর্ণ জিনোম পুনর্গঠনের পথে নতুন সম্ভাবনা খুলে দিচ্ছে, তেমনি বিতর্কিত শিল্পকর্মের প্রকৃত স্রষ্টা নির্ধারণ এবং তাঁর প্রতিভার জৈবিক ভিত্তি বোঝার ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে।
বুধবার রাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’ জানিয়েছে, ডিএনএটি উদ্ধার করা হয়েছে ‘হোলি চাইল্ড’ নামে একটি ছোট লাল চক দিয়ে আঁকা ড্রয়িং থেকে। শিল্পকর্মটির স্বত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে—কিছু শিল্প ইতিহাসবিদ এটিকে দা ভিঞ্চির কাজ বলে মনে করেন, আবার অনেকে ধারণা করেন এটি তাঁর কোনো শিষ্যের আঁকা।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত সতর্কভাবে শুকনো সোয়াব দিয়ে ড্রয়িংটির প্রান্ত স্পর্শ করেন। বিশ্লেষণে সেখানে বিভিন্ন অণুজীব, ছত্রাক ও উদ্ভিদের পাশাপাশি মানুষের জেনেটিক উপাদানের ক্ষুদ্র অংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো কয়েক শতাব্দী পুরোনো।
রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও সহলেখক জেসি আউসবেল বলেন, ‘এই ডিএনএ–গুলোর কিছু লিওনার্দোর হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।’
গবেষকেরা একই পদ্ধতি প্রয়োগ করেন পঞ্চদশ শতকের কিছু চিঠিতে, যেগুলো লিখেছিলেন দা ভিঞ্চির বংশের এক পুরুষ আত্মীয় ফ্রোসিনো দি সের জিওভান্নি দা ভিঞ্চি। ড্রয়িং ও চিঠি—উভয় স্থান থেকেই ওয়াই-ক্রোমোজোমের ক্ষুদ্র অংশ উদ্ধার করা হয়, যা পিতৃ উত্তরাধিকারসূত্রে বহন হয়।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, উভয় উৎসের ডিএনএ একই বিস্তৃত ওয়াই-ক্রোমোজোম লাইনেজ–এর অন্তর্ভুক্ত, যা মূলত টাস্কানি অঞ্চলে প্রচলিত। সেখানেই ১৪৫২ সালে জন্মেছিলেন দা ভিঞ্চি। যদিও এই মিল থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে ডিএনএটি লিওনার্দোরই, তবে সম্ভাবনাটি জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন, পরবর্তীকালের কোনো ইতালীয় শিল্প সংরক্ষকের ডিএনএ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এই গবেষণা পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ‘লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ডিএনএ প্রজেক্ট’। প্রকল্পটির একদিকে লক্ষ্য দা ভিঞ্চির পিতার বংশধারা ধরে জীবিত পুরুষ উত্তরসূরিদের শনাক্ত করা, অন্যদিকে তাঁর আত্মীয়দের কঙ্কালাবশেষ বিশ্লেষণ করে জিনগত তথ্য সংগ্রহ। ভবিষ্যতে এই তথ্য ফ্রান্সের শাতো দ’আম্বোয়াজে সংরক্ষিত সমাধিটি সত্যিই দা ভিঞ্চির কি না, তা নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে।
গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, রেনেসাঁ যুগের জীবনযাত্রার ইঙ্গিত। ‘হোলি চাইল্ড’–এ সাইট্রাস উদ্ভিদের ডিএনএ মিলেছে, যা মেডিচি পরিবারের বাগানে দা ভিঞ্চির সময় কাটানোর ঐতিহাসিক বিবরণের সঙ্গে মিলে যায়। এ ছাড়া উইলো গাছ ও ম্যালেরিয়া পরজীবীর জেনেটিক চিহ্নও শনাক্ত হয়েছে, যা তৎকালীন টাস্কানির পরিবেশ ও রোগব্যাধির বাস্তবতাকে সামনে আনে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দা ভিঞ্চির আরও বহু ড্রয়িং ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে—যার মাধ্যমে শিল্প, ইতিহাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ আরও গভীরভাবে উন্মোচিত হবে।

রেনেসাঁ যুগের মহাবিস্ময় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সঙ্গে যুক্ত একটি শিল্পকর্মে তাঁর ডিএনএ–এর সম্ভাব্য উপস্থিতির দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার ফল হিসেবে এই আবিষ্কারকে তাঁরা ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণা একদিকে যেমন দা ভিঞ্চির পূর্ণ জিনোম পুনর্গঠনের পথে নতুন সম্ভাবনা খুলে দিচ্ছে, তেমনি বিতর্কিত শিল্পকর্মের প্রকৃত স্রষ্টা নির্ধারণ এবং তাঁর প্রতিভার জৈবিক ভিত্তি বোঝার ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে।
বুধবার রাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’ জানিয়েছে, ডিএনএটি উদ্ধার করা হয়েছে ‘হোলি চাইল্ড’ নামে একটি ছোট লাল চক দিয়ে আঁকা ড্রয়িং থেকে। শিল্পকর্মটির স্বত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে—কিছু শিল্প ইতিহাসবিদ এটিকে দা ভিঞ্চির কাজ বলে মনে করেন, আবার অনেকে ধারণা করেন এটি তাঁর কোনো শিষ্যের আঁকা।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত সতর্কভাবে শুকনো সোয়াব দিয়ে ড্রয়িংটির প্রান্ত স্পর্শ করেন। বিশ্লেষণে সেখানে বিভিন্ন অণুজীব, ছত্রাক ও উদ্ভিদের পাশাপাশি মানুষের জেনেটিক উপাদানের ক্ষুদ্র অংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো কয়েক শতাব্দী পুরোনো।
রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও সহলেখক জেসি আউসবেল বলেন, ‘এই ডিএনএ–গুলোর কিছু লিওনার্দোর হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।’
গবেষকেরা একই পদ্ধতি প্রয়োগ করেন পঞ্চদশ শতকের কিছু চিঠিতে, যেগুলো লিখেছিলেন দা ভিঞ্চির বংশের এক পুরুষ আত্মীয় ফ্রোসিনো দি সের জিওভান্নি দা ভিঞ্চি। ড্রয়িং ও চিঠি—উভয় স্থান থেকেই ওয়াই-ক্রোমোজোমের ক্ষুদ্র অংশ উদ্ধার করা হয়, যা পিতৃ উত্তরাধিকারসূত্রে বহন হয়।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, উভয় উৎসের ডিএনএ একই বিস্তৃত ওয়াই-ক্রোমোজোম লাইনেজ–এর অন্তর্ভুক্ত, যা মূলত টাস্কানি অঞ্চলে প্রচলিত। সেখানেই ১৪৫২ সালে জন্মেছিলেন দা ভিঞ্চি। যদিও এই মিল থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে ডিএনএটি লিওনার্দোরই, তবে সম্ভাবনাটি জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন, পরবর্তীকালের কোনো ইতালীয় শিল্প সংরক্ষকের ডিএনএ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এই গবেষণা পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ‘লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ডিএনএ প্রজেক্ট’। প্রকল্পটির একদিকে লক্ষ্য দা ভিঞ্চির পিতার বংশধারা ধরে জীবিত পুরুষ উত্তরসূরিদের শনাক্ত করা, অন্যদিকে তাঁর আত্মীয়দের কঙ্কালাবশেষ বিশ্লেষণ করে জিনগত তথ্য সংগ্রহ। ভবিষ্যতে এই তথ্য ফ্রান্সের শাতো দ’আম্বোয়াজে সংরক্ষিত সমাধিটি সত্যিই দা ভিঞ্চির কি না, তা নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে।
গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, রেনেসাঁ যুগের জীবনযাত্রার ইঙ্গিত। ‘হোলি চাইল্ড’–এ সাইট্রাস উদ্ভিদের ডিএনএ মিলেছে, যা মেডিচি পরিবারের বাগানে দা ভিঞ্চির সময় কাটানোর ঐতিহাসিক বিবরণের সঙ্গে মিলে যায়। এ ছাড়া উইলো গাছ ও ম্যালেরিয়া পরজীবীর জেনেটিক চিহ্নও শনাক্ত হয়েছে, যা তৎকালীন টাস্কানির পরিবেশ ও রোগব্যাধির বাস্তবতাকে সামনে আনে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দা ভিঞ্চির আরও বহু ড্রয়িং ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে—যার মাধ্যমে শিল্প, ইতিহাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ আরও গভীরভাবে উন্মোচিত হবে।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর আটলান্টিকের দুই তীরের সম্পর্কের ফাটল এখন প্রকাশ্যে। জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান আচরণ বিশ্বব্যবস্থাকে একটি ‘ডাকাতের আস্তানায়’ পরিণত...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির শাসকগোষ্ঠী সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বিদেশে বিকল্প পরিকল্পনা (কনটিনজেন্সি প্ল্যান) প্রস্তুত করছে কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা তীব্র হয়েছে। একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রে উঠে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরানের নেতৃত্ব সম্পদ...
২ ঘণ্টা আগে
জাহাজটি আগে ‘বেলা-১’ নামে পরিচিত ছিল এবং গায়ানার পতাকাবাহী হিসেবে চলাচল করত। মার্কিন কোস্ট গার্ডের নজরদারি এড়াতে কয়েক সপ্তাহ ধরে জাহাজটি সাগরে লুকোচুরি খেলছিল। এমনকি নজরদারি এড়াতে জাহাজটির গায়ে নতুন রং মাখিয়ে ‘মেরিনেরা’ নাম দেওয়া হয় এবং রাশিয়ার পতাকা ব্যবহার শুরু করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রেনি নিকোল গুড ওল্ড ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২০ সালে ‘একাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস’ থেকে তিনি একটি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পুরস্কারও জিতেছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে