আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিজের ভূমিকা নিয়ে একাধিক দাবি করেন।
বাংলাদেশ সময় বুধবার (৭ জানুয়ারি) সমুদ্রপথে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প লেখেন—যুক্তরাষ্ট্র সব সময় ন্যাটোর পাশে থাকবে। এমনকি ন্যাটো যদি যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না দাঁড়ালেও যুক্তরাষ্ট্র দাঁড়াবে।
একই পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পেছনে মূল ভূমিকা তাঁরই। তিনি জানান, তাঁর আগে ন্যাটোর অধিকাংশ দেশ জিডিপির দুই শতাংশও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করত না এবং নিজেদের দায় ঠিকমতো পরিশোধও করছিল না। তখন যুক্তরাষ্ট্র ‘বোকার মতো’ তাদের হয়ে খরচ বহন করছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর হস্তক্ষেপ না থাকলে রাশিয়া ইতিমধ্যেই পুরো ইউক্রেন দখল করে নিত। এ ছাড়াও তিনি দাবি করেন, তিনি একাই ৮টি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে লাখো মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ, ন্যাটোভুক্ত দেশ নরওয়ে ‘বোকামির পরিচয় দিয়ে’ তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়নি। তবে তিনি বলেন, পুরস্কার না পাওয়াটা তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।
পোস্টের শেষ অংশে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, চীন ও রাশিয়া কেবল পুনর্গঠিত যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। তাঁর ভাষায়, ‘চীন ও রাশিয়া যে একমাত্র দেশকে ভয় ও সম্মান করে, সেটি যুক্তরাষ্ট্র।’
ট্রাম্পের এসব মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে তাঁর দাবিগুলোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিজের ভূমিকা নিয়ে একাধিক দাবি করেন।
বাংলাদেশ সময় বুধবার (৭ জানুয়ারি) সমুদ্রপথে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প লেখেন—যুক্তরাষ্ট্র সব সময় ন্যাটোর পাশে থাকবে। এমনকি ন্যাটো যদি যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না দাঁড়ালেও যুক্তরাষ্ট্র দাঁড়াবে।
একই পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পেছনে মূল ভূমিকা তাঁরই। তিনি জানান, তাঁর আগে ন্যাটোর অধিকাংশ দেশ জিডিপির দুই শতাংশও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করত না এবং নিজেদের দায় ঠিকমতো পরিশোধও করছিল না। তখন যুক্তরাষ্ট্র ‘বোকার মতো’ তাদের হয়ে খরচ বহন করছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর হস্তক্ষেপ না থাকলে রাশিয়া ইতিমধ্যেই পুরো ইউক্রেন দখল করে নিত। এ ছাড়াও তিনি দাবি করেন, তিনি একাই ৮টি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে লাখো মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ, ন্যাটোভুক্ত দেশ নরওয়ে ‘বোকামির পরিচয় দিয়ে’ তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়নি। তবে তিনি বলেন, পুরস্কার না পাওয়াটা তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।
পোস্টের শেষ অংশে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, চীন ও রাশিয়া কেবল পুনর্গঠিত যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। তাঁর ভাষায়, ‘চীন ও রাশিয়া যে একমাত্র দেশকে ভয় ও সম্মান করে, সেটি যুক্তরাষ্ট্র।’
ট্রাম্পের এসব মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে তাঁর দাবিগুলোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির শাসকগোষ্ঠী সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বিদেশে বিকল্প পরিকল্পনা (কনটিনজেন্সি প্ল্যান) প্রস্তুত করছে কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা তীব্র হয়েছে। একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রে উঠে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরানের নেতৃত্ব সম্পদ...
২ মিনিট আগে
জাহাজটি আগে ‘বেলা-১’ নামে পরিচিত ছিল এবং গায়ানার পতাকাবাহী হিসেবে চলাচল করত। মার্কিন কোস্ট গার্ডের নজরদারি এড়াতে কয়েক সপ্তাহ ধরে জাহাজটি সাগরে লুকোচুরি খেলছিল। এমনকি নজরদারি এড়াতে জাহাজটির গায়ে নতুন রং মাখিয়ে ‘মেরিনেরা’ নাম দেওয়া হয় এবং রাশিয়ার পতাকা ব্যবহার শুরু করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রেনি নিকোল গুড ওল্ড ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২০ সালে ‘একাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস’ থেকে তিনি একটি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পুরস্কারও জিতেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
ধীরে ধীরে ইরানজুড়ে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলম। এখানেই নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষগুলোর কয়েকটি ঘটেছে বলে স্থানীয় ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে